শিরোনাম
রাজবাড়ীতে একাধিক মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুক্তার মৃধা র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে গোয়ালন্দ থানায় জিডি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি ও হয়রানির অভিযোগ অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজবাড়ীতে মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার পরিকল্পনার প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল গোয়ালন্দে বসতঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন এসিল্যান্ড মুনতাসীর দৌলতদিয়ার পুড়াভিটায় মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, হাতকড়াসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাই রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের ঘোষণা

ফরিদপুরের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট ‘ অমর প্রেমের তীর্থস্থান

স্টাফ রিপোর্টার / ৩০২৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

0Shares

গাজী সাইফুল ইসলাম।।

পল্লী কবি জসীম উদদীনের অমর কাব্যেপন্যাস ” সোজন বাদিয়ার ঘাট” যে জায়গায় ও কাহিনী কে কেন্দ্র করে রচিত করেছিলেন তা হলো ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে আরিফ বাজারের দক্ষিণ পাশে কুমার নদীর একটি ঘাট।

গ্রামীণ জীবনের লোককাহিনী ও গল্প গাঁথা অবলম্বন করে পল্লীকবি ১৯৩৪ সালে  সোজন বাদিয়ার ঘাট নামের যে কাব্যেপন্যাস লিখেছেন তার মূল কাহিনী তুলে ধরা হলো।

গড়াই নদীর প্রশাখা ফরিদপুর কুমার নদী ধারেই ছবির মতোই সুন্দর শিমুলতলী গ্রাম। এ গ্রামে হিন্দু ও মুসলমানের দীর্ঘদিনের বসবাস। সৌজন্য ও সম্প্রীতি তাদের জীবন বহমান। গ্রামের গদাই নমুর মেয়ে দুলী ও ছমির শেখের ছেলে সোজন ছেলেবেলার খেলার সাথী। সারা পাড়াময় তাদের কৈশোরের লীলাস্থল। কবে কখন যে তাদের শরীর মনে যৌবনের গেরস্থালী শুরু হয় তা তারা জানে না। মহরমের উৎসবকে কেন্দ্র করে শুরু হয় হিন্দু মুসলিম সংঘাত। ধীরে ধীরে শিমুলতলী মুসলিম শূন্য হয়। দুলীর বিয়ে ঠিক করে তার বাবা অন্য ছেলের সাথে। কিন্তু দুলী বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে সোজনের সাথে ঘর বাঁধে গড়াই নদীর তীরে। অপহরণের মামলা হয় সোজনের নামে।

(সোজন বাদিয়ার ঘাটের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করছেন লেখক)

মামলার রায়ে সোজনের সাত বছরের জেল হয়। দুলীকে এনে বিয়ে দেয় ধনাঢ্য কালাচাঁদের সাথে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজন ঘরে না ফেরে যাযাবরের মতো দুলীর খোঁজে বেদের নৌকায় দেশে দেশে ফেরে। হঠাৎ সোজন দুলীকে খুঁজে পায়। দুলী তার সাথে রূঢ় আচরণ করে। ফলে সে জ্বালা মিটাতে বিষের বড়ি খেয়ে গভীর রাতে নদীর ঘাটে বাঁশীর সুর তোলে। দুলী বাঁশীর সুর শুনে পাগল হয়ে ছুটে আসে। একদিকে স্বামী কালাচাঁদের বিশ্বাসের মূল্য, অন্যদিকে সোজনের ভালবাসার টান। উভয় সংকটে পড়ে সে। ফলে সোজনের মত সেও আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

( লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশক, রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ “)

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg