শিরোনাম
কালুখালীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন খাগজানা উচ্চ বিদ্যালয় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি ভেজাল তিল তৈরির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা রাজবাড়ীর কালুখালীতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৩ রাজবাড়ীর লোকোশেড এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট: গাঁজাসহ আটক ৫, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড কালুখালীতে নিখোঁজ জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ৮ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার গোয়ালন্দে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচির উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল রাজবাড়ীর তিন উপজেলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর পাংশায় মাইক্রোবাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত ৫

রাজবাড়ীর কালুখালীতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৩

স্টাফ রিপোর্টার / ১১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার, রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকায় পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া যুবক মো. আশাদুল ইসলাম (২২) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে কালুখালী থানা পুলিশ ও রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেব্রত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কালুখালী উপজেলার মদাপুর গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মণ্ডলের ছেলে মো. আনোয়ার মণ্ডল (৪৪) এবং সূর্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সূর্যদিয়া এলাকার একটি মাদ্রাসার পেছনের পাটক্ষেত থেকে আশাদুল ইসলামের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আশাদুল ইসলাম উপজেলার বিল মানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মণ্ডলের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা শাহজাহান মণ্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, প্রায় চার মাস আগে আশাদুল ইসলাম স্থানীয় মিজান শেখের কাছ থেকে ৬৮ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে সেই টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা আশাদুলকে হত্যা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা এবং আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি মিজান শেখ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

অভিযানকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি রক্তমাখা হেলমেট, একটি এসএস পাইপ (রড) এবং একটি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ শামসুল হক বলেন, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই এ ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg