শিরোনাম
রাজবাড়ীতে একাধিক মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুক্তার মৃধা র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে গোয়ালন্দ থানায় জিডি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি ও হয়রানির অভিযোগ অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজবাড়ীতে মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার পরিকল্পনার প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল গোয়ালন্দে বসতঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন এসিল্যান্ড মুনতাসীর দৌলতদিয়ার পুড়াভিটায় মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, হাতকড়াসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাই রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের ঘোষণা

কোরবানির জন্য ২৯ হাজার পশু প্রস্তুত।

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৪৫০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১

0Shares

মোশারফ হোসেন কুমারখালী (কুষ্টিয়া)

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুমারখালী উপজেলায় প্রায় ২৯ হাজার গরু-ছাগল, মহিষ, প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় তালিকাভূক্ত ছোট-বড় মিলিয়ে কৃষক ও মৌসুমি ব্যবসায়ীসহ ৩ হাজার ৮ শ’ ৮৭ খামারে এসব পশু পালন করা হচ্ছে। চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে হাট-বাজারের চেয়ে খামারে কেনাবেচাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।

জানা গেছে, প্রতিবছর কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার কৃষক ও খামারিরা গরু, ছাগল ও ভেড়া মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত থাকেন। কোরবানী ঈদে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে গবাদি পশু ঢাকার, চট্টগ্রাম সহ দেশজুড়ে বিক্রি করেন খামারিরা ও প্রান্তিক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দূর-দুরান্ত থেকেও ক্রেতারা এ উপজেলায় এসে স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও খামার থেকে গরু কিনে নিয়ে যান। গত বছর ভারত থেকে পশু কম আমদানি হওয়ায় দেশি গরুর চাহিদা ছিল ভাল। এ বছর কোরবানীকে সামনে রেখে দেশী গরু ও ছাগল মোটাতাজা করার শেষ পর্যায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। তবে করোনা পরিস্থিতিতে দাম ও বিক্রি নিয়ে অনেকটাই শঙ্কিত খামারিরা। তারপরেও ভারতীয় গরু কিংবা প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে ভাল দাম পাবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছেন খামারিরা।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৮ শ’ ৮৭ টি গো-খামার রয়েছে। এবার এসব খামারে মোটাতাজা করা হয়েছে ২৯ হাজারের অধিক গরু, ছাগল। ষাঁড় আছে ১০ হাজার ৬ শ’ ৯৩ টি, বলদ আছে ৫ হাজার ৫ শ’ ৪ টি, ছাগল আছে ৭ হাজার ৫৯ টি এবং ভেড়া আছে ২৬৩ টি,কোরবানীর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ উপজেলায় দেশী জাতের গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে ৯০ ভাগ। এ ছাড়া রেড চিটাগাং ক্যাটেল শাহিয়াল, ফ্রিজিয়ান ও জার্সি মিলিয়ে রয়েছে বাকি ১০ ভাগ।

এ ব্যাপারে কুমারখালী প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, গরু মোটাতাজাকরণে সমৃদ্ধ উপজেলায় ৩০ ভাগ গরু গাবতলী, চট্টগ্রাম পশু হাটে বিক্রি হয়। করোনা বিপর্যয়ের কারণে কোরবানীযোগ্য পশু অনলাইন ভিত্তিক বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।করোনা ভাইরাসের কারণে কোরবানির পশু কিছুটা কম বিক্রি হতে পারে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg