স্টাফ রিপোর্টার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ততম প্রধান সড়কের উন্নয়ন কাজ ঈদের পর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো শুরু হয়নি। ফলে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও হাজারো পথচারী।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রধান সড়কের বেহাল দশা শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় জরুরি ভিত্তিতে সড়কের খানাখন্দ মেরামতের কাজ শুরু করা হয়।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজারের তোড়াইড় মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে এখনও ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কিছু গর্ত ভরাট করা হলেও মূল উন্নয়ন কাজ বিশেষ করে কার্পেটিং এখনো শুরু হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ড থেকে বড় মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হওয়ায় পরিবহন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।
একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর কিছুদিন কাজ চললেও এখন আর কোনো অগ্রগতি নেই। ঈদের পর কাজ শুরুর কথা থাকলেও মাস পেরিয়ে গেলেও কার্পেটিং শুরু হয়নি। এতে আমাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রকৌশলী মো. ফেরদৌস আলম খান বলেন, পৌরবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে বাসস্ট্যান্ড থেকে তোড়াইড় মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের জরুরি মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছিল। তবে ঈদের পর রাস্তাটি নতুন করে কার্পেটিং করার কথা থাকলেও সড়কের অনেক অংশে বড় ধরনের ক্ষতি থাকায় বাজেট বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে টিম পরিদর্শন শেষ করলেই কাজ শুরু করা হবে।
গোয়ালন্দ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘসূত্রিতা দূর করে দ্রুত সড়কের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হোক, যাতে জনদুর্ভোগ কমে এবং স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত হয়।