স্টাফ রিপোর্টারঃ দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর নিজ জন্মভূমি গোয়ালন্দে ফিরছেন গোয়ালন্দ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও গোয়ালন্দ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ ফরিদ দেওয়ান।
আগামী ৪ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত সময়ে বিভিন্ন হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ফরিদ দেওয়ান দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থান করেন। নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তিনি আবারও নিজ এলাকায় ফিরছেন, যা তাঁর সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
ফরিদ দেওয়ানের আগমন উপলক্ষে গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো তাঁকে বরণ করে নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ও শুভেচ্ছা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় গোয়ালন্দ উপজেলা পরিবহন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদি কামাল মোল্লা এবং সহ-সভাপতি নির্মল ভক্ত বলেন,গোয়ালন্দ পৌরবাসীর হৃদয়ের স্পন্দন, প্রিয় নেতা মোঃ ফরিদ দেওয়ানের আগমনে আমরা আনন্দিত। আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রাজনৈতিক সাফল্য কামনা করছি।
তারা আরও বলেন, গোয়ালন্দের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ফরিদ দেওয়ানের অবদান স্থানীয় জনগণের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর প্রত্যাবর্তন এলাকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
এদিকে, গোয়ালন্দ উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ ফারুক দেওয়ান বলেন, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৎকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলা, জেল-জুলুম ও রাজনৈতিক নির্যাতনের কারণে চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে দেশের বাইরে অবস্থান করেছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনে গোয়ালন্দবাসী আনন্দিত। তিনি এলাকায় ফিরে এসে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, গোয়ালন্দ পৌরসভার আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন ফরিদ দেওয়ান। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে তাঁর সমর্থকরা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাঁকে নিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।
দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকায় ফরিদ দেওয়ানের প্রত্যাবর্তন গোয়ালন্দের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন তাঁর আগমন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা।