শিরোনাম
গোয়ালন্দে বিএনপি নেতার ভাঙারির দোকানে মিলল সরকারি চোরাই মালামাল, আটক ১ গোয়ালন্দে চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ। দৌলতদিয়া টার্মিনালে নানা খাতে অর্থ আদায়, প্রশ্নের মুখে পরিবহন ব্যবস্থাপনা গোয়ালন্দে স্কুলের গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে তোলপাড়, অভিযোগ ক্লাব সভাপতি ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঈদ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে ওয়ান নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে মাদক নির্মূলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ দৌলতদিয়ায় আবারও ‘ডিপার্চার চার্জ’ আতঙ্ক বালিয়াকান্দিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ভুয়া ডিবি সেজে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, সাহসী ইজিবাইক চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি

ফরিদপুরের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট ‘ অমর প্রেমের তীর্থস্থান

স্টাফ রিপোর্টার / ৩০১৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

0Shares

গাজী সাইফুল ইসলাম।।

পল্লী কবি জসীম উদদীনের অমর কাব্যেপন্যাস ” সোজন বাদিয়ার ঘাট” যে জায়গায় ও কাহিনী কে কেন্দ্র করে রচিত করেছিলেন তা হলো ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে আরিফ বাজারের দক্ষিণ পাশে কুমার নদীর একটি ঘাট।

গ্রামীণ জীবনের লোককাহিনী ও গল্প গাঁথা অবলম্বন করে পল্লীকবি ১৯৩৪ সালে  সোজন বাদিয়ার ঘাট নামের যে কাব্যেপন্যাস লিখেছেন তার মূল কাহিনী তুলে ধরা হলো।

গড়াই নদীর প্রশাখা ফরিদপুর কুমার নদী ধারেই ছবির মতোই সুন্দর শিমুলতলী গ্রাম। এ গ্রামে হিন্দু ও মুসলমানের দীর্ঘদিনের বসবাস। সৌজন্য ও সম্প্রীতি তাদের জীবন বহমান। গ্রামের গদাই নমুর মেয়ে দুলী ও ছমির শেখের ছেলে সোজন ছেলেবেলার খেলার সাথী। সারা পাড়াময় তাদের কৈশোরের লীলাস্থল। কবে কখন যে তাদের শরীর মনে যৌবনের গেরস্থালী শুরু হয় তা তারা জানে না। মহরমের উৎসবকে কেন্দ্র করে শুরু হয় হিন্দু মুসলিম সংঘাত। ধীরে ধীরে শিমুলতলী মুসলিম শূন্য হয়। দুলীর বিয়ে ঠিক করে তার বাবা অন্য ছেলের সাথে। কিন্তু দুলী বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে সোজনের সাথে ঘর বাঁধে গড়াই নদীর তীরে। অপহরণের মামলা হয় সোজনের নামে।

(সোজন বাদিয়ার ঘাটের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করছেন লেখক)

মামলার রায়ে সোজনের সাত বছরের জেল হয়। দুলীকে এনে বিয়ে দেয় ধনাঢ্য কালাচাঁদের সাথে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজন ঘরে না ফেরে যাযাবরের মতো দুলীর খোঁজে বেদের নৌকায় দেশে দেশে ফেরে। হঠাৎ সোজন দুলীকে খুঁজে পায়। দুলী তার সাথে রূঢ় আচরণ করে। ফলে সে জ্বালা মিটাতে বিষের বড়ি খেয়ে গভীর রাতে নদীর ঘাটে বাঁশীর সুর তোলে। দুলী বাঁশীর সুর শুনে পাগল হয়ে ছুটে আসে। একদিকে স্বামী কালাচাঁদের বিশ্বাসের মূল্য, অন্যদিকে সোজনের ভালবাসার টান। উভয় সংকটে পড়ে সে। ফলে সোজনের মত সেও আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

( লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশক, রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ “)

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg