শিরোনাম
গোয়ালন্দে মাতম চলাকালে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল ভক্তের কালুখালীতে চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, ৬ লাখ টাকার জাল জব্দ কালুখালীতে উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ ইউএনও’র স্কুল ফাঁকি দিয়ে পুকুরে গোসল, স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীকে সতর্ক করল প্রশাসন গোয়ালন্দে বিটুমিন কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, দুই শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক রাজবাড়ীতে একাধিক মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুক্তার মৃধা র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে গোয়ালন্দ থানায় জিডি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি ও হয়রানির অভিযোগ অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজবাড়ীতে মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

গোয়ালন্দ গণহত্যা দিবস আজ

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৪৬৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১

0Shares

গণেশ পালঃ
আজ ২১ এপ্রিল গোয়ালন্দ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী নদীবন্দরখ্যাত পদ্মাপারের গোয়ালন্দ আক্রমন করে। মানিকগঞ্জের আরিচাঘাট থেকে মেশিনগান, মর্টারসহ ভারি যুদ্ধাস্ত্র বোঝাই একটি গানবোট ও একটি কে-টাইপ ফেরিতে নদীপার হয়ে হানাদাররা প্রথম এসে নামে গোয়ালন্দের উজানচর ইউনিয়নের কামারডাঙ্গি নামক এলাকায়। সেখানে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ইপিআর, আনছার ও মুক্তিবাহিনীর একটি দল হালকা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তারা প্রতিরোধ সৃষ্টি করেন। কিন্তু পাকবাহিনীর ভারি অস্ত্রের মুখে কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রতিরোধ ভেঙ্গে যায়। এসময় হানাদারের বুলেটে প্রথম শহীদ হন আনছার কমান্ডার মহিউদ্দিন ফকির। পরে পাকবাহিনী দ্রæত এগিয়ে এসে স্থানীয় বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম ঘিরে ফেলে। সেখানে বৃষ্টির মতো গুলি চালিয়ে তারা গণহত্যাযজ্ঞ চালায়। পাশাপাশি নিরীহ গ্রামবাসীর ঘরবাড়িতে তারা আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সেখানে হানাদারের বুলেটে শহীদ হন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নারীসহ স্বাধীনতাকামী ২৪ জন মানুষ। তাঁরা হলেন, জিন্দার আলী মৃধা, নায়েব আলী বেপারি, মতিয়ার বেগম, জয়নদ্দিন ফকির, কদর আলী মোল্লা, হামেদ আলী শেখ, কানাই শেখ, ফুলবুরু বেগম, মোলায়েম সরদার, বুরুজান বিবি, কবি তোফাজ্জল হোসেন, আমজাদ হোসেন, মাধব বৈরাগী, আহাম্মদ আলী মন্ডল, খোদেজা বেগম, করিম মোল্লা, আমোদ আলী শেখ, কুরান শেখ, মোকসেদ আলী শেখ, নিশিকান্ত রায়, মাছেম শেখ, ধলাবুরু বেগম, আলেয়া খাতুন ও বাহেজ পাগলা। বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে গণহত্যা শেষে ওইদিন দুপুরে পাকবাহিনীর ওই দল গোয়ালন্দ স্টিমারঘাট, ফেরিঘাটসহ গোয়ালন্দ বাজার আক্রমন করে। তারা স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় বাজারের কয়েকশ দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠনে লুটপাট চালিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই থেকে ২১ এপ্রিল গোয়ালন্দ গণহত্যা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

শহীদ সন্তান ও গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলজার হোসেন মৃধা বলেন, ‘উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত চব্বিশ শহীদের নামফলক ছাড়া গোয়ালন্দে গণহত্যার আর কোন স্মৃতিচিহ্ন নেই। প্রতি বছর ২১ এপ্রিল শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে ওই নামফলকে ফুল দিয়ে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। পাশাপাশি মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে থাকি। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গত বছররের ন্যায় এবারও আমরা দিবসটি পালনে কোন কর্মসূচি গ্রহণ করিনি।’

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg