শিরোনাম
গোয়ালন্দে বিএনপি নেতার ভাঙারির দোকানে মিলল সরকারি চোরাই মালামাল, আটক ১ গোয়ালন্দে চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ। দৌলতদিয়া টার্মিনালে নানা খাতে অর্থ আদায়, প্রশ্নের মুখে পরিবহন ব্যবস্থাপনা গোয়ালন্দে স্কুলের গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে তোলপাড়, অভিযোগ ক্লাব সভাপতি ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঈদ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে ওয়ান নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে মাদক নির্মূলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ দৌলতদিয়ায় আবারও ‘ডিপার্চার চার্জ’ আতঙ্ক বালিয়াকান্দিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ভুয়া ডিবি সেজে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, সাহসী ইজিবাইক চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় মানববন্ধন, তদন্ত কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আজাদুর রহমানকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোস্তফা কামাল, যিনি বর্তমানে শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, অতীতেও একাধিক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছেন। গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে তিনি একাডেমিক ভবনের নিচতলায় প্রভাষক আজাদুর রহমানের কলার ধরে টেনে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে আরেকজন শিক্ষকের প্রতি এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনার ন্যায্য বিচার না হলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা কলেজে উপস্থিত শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির সদস্যদের কাছে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনার তদন্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ফকীর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সদস্য প্রফেসর মো. ওবায়দুর রহমান (উপাধ্যক্ষ, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ) এবং মাউশির উপ পরিচালক প্রফেসর মো. শওকত হোসেন মোল্লা।

রোববার তদন্ত কমিটির সদস্যরা কলেজ চত্বরে এসে ভুক্তভোগী, অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন। ভুক্তভোগী প্রভাষক মো. আজাদুর রহমান জানান,বুধবার পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আমার সহকর্মী কুতুব উদ্দিন স্যারকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষক ধাক্কা দেন। বিষয়টি নিয়ে কুতুব স্যার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করতে গেলে, অর্থনীতি বিভাগের মোস্তফা কামাল স্যার এসে আমার শার্টের কলার ধরে টেনে নিচে নিয়ে কিল-ঘুষি মারেন। পরে আমি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

অভিযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল বলেন,তারা একজন শিক্ষককে হুমকি দিয়েছিল, জানতে চেয়ে আমি তাদের কাছে যাই। আজাদুর রহমান আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। আমি উত্তেজিত হয়ে কলার ধরে তাকে অধ্যক্ষের কক্ষে নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু মারধর করিনি।

তদন্ত কমিটির প্রধান প্রফেসর ফকীর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন,মাউশির নির্দেশে তিন সদস্যের দল ঘটনাটি তদন্ত করছে। আমরা উভয় পক্ষ ও স্বাক্ষীদের বক্তব্য নিয়েছি। প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে ঢাকায় মহাপরিচালকের কাছে জমা দেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

 

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg