শিরোনাম
পাংশায় প্রবাসীর মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় রাজবাড়ীর জেলেরা গোয়ালন্দে এসিল্যান্ডের অভিযান বালুবাহী ৬ ট্রাক জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গোয়ালন্দে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন শত শত মানুষ দৌলতদিয়া পোড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসন, স্থানীয়দের এক হওয়ার আহ্বান গোয়ালন্দে ইউসিবি ব্যাংকের নতুন এজেন্ট শাখার উদ্বোধন গোয়ালন্দে ভেজা বালি পরিবহন, ছয় ড্রাম ট্রাকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কালুখালীতে রেড ক্রিসেন্টের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজবাড়ীতে বিভিন্ন মামলার ৭ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের সাইফুল গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট ‘ অমর প্রেমের তীর্থস্থান

স্টাফ রিপোর্টার / ৩০৫৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

0Shares

গাজী সাইফুল ইসলাম।।

পল্লী কবি জসীম উদদীনের অমর কাব্যেপন্যাস ” সোজন বাদিয়ার ঘাট” যে জায়গায় ও কাহিনী কে কেন্দ্র করে রচিত করেছিলেন তা হলো ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে আরিফ বাজারের দক্ষিণ পাশে কুমার নদীর একটি ঘাট।

গ্রামীণ জীবনের লোককাহিনী ও গল্প গাঁথা অবলম্বন করে পল্লীকবি ১৯৩৪ সালে  সোজন বাদিয়ার ঘাট নামের যে কাব্যেপন্যাস লিখেছেন তার মূল কাহিনী তুলে ধরা হলো।

গড়াই নদীর প্রশাখা ফরিদপুর কুমার নদী ধারেই ছবির মতোই সুন্দর শিমুলতলী গ্রাম। এ গ্রামে হিন্দু ও মুসলমানের দীর্ঘদিনের বসবাস। সৌজন্য ও সম্প্রীতি তাদের জীবন বহমান। গ্রামের গদাই নমুর মেয়ে দুলী ও ছমির শেখের ছেলে সোজন ছেলেবেলার খেলার সাথী। সারা পাড়াময় তাদের কৈশোরের লীলাস্থল। কবে কখন যে তাদের শরীর মনে যৌবনের গেরস্থালী শুরু হয় তা তারা জানে না। মহরমের উৎসবকে কেন্দ্র করে শুরু হয় হিন্দু মুসলিম সংঘাত। ধীরে ধীরে শিমুলতলী মুসলিম শূন্য হয়। দুলীর বিয়ে ঠিক করে তার বাবা অন্য ছেলের সাথে। কিন্তু দুলী বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে সোজনের সাথে ঘর বাঁধে গড়াই নদীর তীরে। অপহরণের মামলা হয় সোজনের নামে।

(সোজন বাদিয়ার ঘাটের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করছেন লেখক)

মামলার রায়ে সোজনের সাত বছরের জেল হয়। দুলীকে এনে বিয়ে দেয় ধনাঢ্য কালাচাঁদের সাথে। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজন ঘরে না ফেরে যাযাবরের মতো দুলীর খোঁজে বেদের নৌকায় দেশে দেশে ফেরে। হঠাৎ সোজন দুলীকে খুঁজে পায়। দুলী তার সাথে রূঢ় আচরণ করে। ফলে সে জ্বালা মিটাতে বিষের বড়ি খেয়ে গভীর রাতে নদীর ঘাটে বাঁশীর সুর তোলে। দুলী বাঁশীর সুর শুনে পাগল হয়ে ছুটে আসে। একদিকে স্বামী কালাচাঁদের বিশ্বাসের মূল্য, অন্যদিকে সোজনের ভালবাসার টান। উভয় সংকটে পড়ে সে। ফলে সোজনের মত সেও আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

( লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশক, রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ “)

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg