স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজবাড়ী–১ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ৬৩.২০ শতাংশ ভোট পড়ে, মোট ভোটের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩০৬।
বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নূরুল ইসলাম পান ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট।
অন্যদিকে জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী কাঞ্চন পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান বাচ্চু পেয়েছেন ২ হাজার ৫৮৬ ভোট। প্রয়োজনীয় এক–অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
রাজবাড়ী–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তিনি ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পান এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোট বেশি অর্জন করেন।
এনসিপির প্রার্থী জামিল হিজাজী (সাইয়েদ জামিল নামে পরিচিত) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়ে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫টি। এক অষ্টমাংশ হিসাব করলে প্রয়োজনীয় ভোট দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ২৩৫; কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য সাত প্রার্থীর কেউই এই সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কলস প্রতীকের নাসিরুল হক সাবু তৃতীয় অবস্থানে থেকে ৩৬ হাজার ৩৩৮ ভোট পান, যা প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে কম হওয়ায় তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, কোনো প্রার্থী যদি মোট প্রাপ্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পান, তাহলে নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হয় না।