শিরোনাম
রাজবাড়ীতে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস পালিত রাজবাড়ীতে বাসে ডিবির অভিযান, ৮ হাজার ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার রাজবাড়ীতে পৈত্রিক জমি দখল ও হত্যার হুমকির অভিযোগ রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে একাধিক মামলার আসামি পিয়ারুল নিহত গোয়ালন্দে প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই বালু উত্তোলন, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনের রাজবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযান, বসতঘর থেকে ৪৫৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ গোয়ালন্দে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার মামলায় ফের গ্রেপ্তার কাজী কেরামত আলী রাজবাড়ীতে বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্তসহ বিভিন্ন মামলায় ৮ আসামি গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী মৌসুমী ১০০ গ্রাম হেরোইন ও ৬ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীতে পৈত্রিক জমি দখল ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

0Shares

রামপুর মৌজায় জমি নিয়ে বিরোধ; নিরাপত্তা ও জমি ফিরে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলেন ভুক্তভোগী

স্টাফ রিপোর্টার: রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামপুর মৌজায় পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিজানুর রহমান, তাঁর স্ত্রী রহিমা বেগম, স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন ফরিদসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পৈত্রিক জমি ফিরে পেতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী বিএম আমিনুল ইসলাম ওরফে আকাশ। এ বিষয়ে তিনি খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম ওরফে আকাশের দাবি, রাজবাড়ী সদর থানাধীন রামপুর মৌজার এসএ ৩২ নম্বর দাগের পূর্ব পাশের ৮০ শতাংশ জমি ১৯৮৭ সালের ২৮ অক্টোবর ৫২৫২ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তাঁর চাচা মো. আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের কাছ থেকে ক্রয় করেন মিজানুর রহমান। ওই দলিলের ভিত্তিতে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

অন্যদিকে, একই এসএ দাগের হাল বিএস ১৩৫ ও ১৩৬ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশের ৮৪ শতাংশ জমি তাঁর বাবা আব্দুল কাদের বিশ্বাসের পৈত্রিক সম্পত্তি বলে দাবি করেন আকাশ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তাঁর পরিবার ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন বলেও জানান তিনি।

আকাশের অভিযোগ, সম্প্রতি মিজানুর রহমান, তাঁর স্ত্রী রহিমা বেগম ও ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন ফরিদ পরস্পরের যোগসাজশে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে সঙ্গে করে তাঁর পৈত্রিক জমি দখল করেন। পরে জমিটির চারপাশে বেড়া দেওয়া হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

তিনি জানান, তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেখান থেকে চলে যান। পরে এ ঘটনায় খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরও বিভিন্ন সময়ে ইউপি সদস্য ফরিদ ও তাঁর লোকজন তাঁকে এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেন আকাশ।

অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান অসুস্থ থাকায় তাঁর স্ত্রী রহিমা বেগমের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি জানান, তাঁর স্বামী আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের কাছ থেকে জমি কিনে দলিল করেছেন। দলিলে জমির অবস্থান পূর্ব পাশে উল্লেখ থাকলেও সেখানে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনা করে পশ্চিম পাশের জমি তাঁদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে দলিলে জমির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়নি বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন ফরিদ অভিযোগকে বানোয়াট দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সামনে নির্বাচন থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হারুন অর রশিদ বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg