হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরের সদর, মধুখালী ও চরভদ্রাসন উপজেলা এই তিনটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (০৮ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এতে ফরিদপুর সদরে ৩১ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে সামচুল আলম চৌধুরী, মধুখালীতে ২৯ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান ও চরভদ্রাসনে ১৬ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে আনোয়ার আলী মোল্লা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ১৫৪ টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আনারস প্রতীকে সামচুল আলম চৌধুরী ৩১ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিফোন প্রতীকে মনিরুল হাসান মিঠু পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯ ভোট।
মধুখালী উপজেলায় দোয়াতকলম প্রতীকে মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান ২৯ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হেলিকপ্টার প্রতীকে মো. শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭২৩ ভোট।
চরভদ্রাসনে আনারস প্রতীকে আনোয়ার আলী মোল্লা ১৬ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ নিজামুদ্দিন পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৫৪ ভোট।
ফরিদপুরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তারেক আহম্মেদ বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা টহলরত অবস্থায় ছিল। এছাড়াও ৩১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে প্রথম ধাপে ফরিদপুর সদর, মধুখালী ও চরভদ্রাসন উপজেলায় নির্বাচন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। তিন উপজেলায় ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩২৪ ভোটের মধ্যে ৩০ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে।