স্টাফ রিপোর্টার: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট গ্রামে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পাংশা মডেল থানায় সুশীল চন্দ্র ঋষি (৭০) বাদী হয়ে বাধন মন্ডল (৩০)সহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সুশীল চন্দ্র ঋষির বসতবাড়িতে গিয়ে দরজায় চড়-থাপ্পড় দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে একই পরিমাণ চাঁদা দাবি ও হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় ২৮ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে আসামিরা সুশীল চন্দ্র ঋষির বসতবাড়িতে প্রবেশ করে আবারও দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা ঘরের টিনের বেড়া, দরজা ও জানালা কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সুশীল চন্দ্র ঋষি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
পুলিশের প্রেস রিলিজে বলা হয়, বাদী সুশীল চন্দ্র ঋষির সঙ্গে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ক্ষিরোদ কুমার ঋষির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলমান রয়েছে। তবে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় ২৯ সেপ্টেম্বর পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
প্রেস রিলিজে আরও জানানো হয়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) ও পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ জেলা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযোগে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।