ষ্টাফ রিপোর্ট ঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনেও থেমে নেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী পারাপার। ঈদের আগে ঈদ আয়োজন, কোরবানীর পশুর হাট, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি , নাগরিক সুবিধা বিবেচনা করে ১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে লক ডাউন শিথিল করা হয় ২২ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ১২ টা পর্যন্ত। ২৩ জুলাই শুক্রবার থেকে আবারো কঠোর লক ডাউন মেনে চলার নির্দেশনা আসে আগামী ৫ই আগস্ট বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। ঈদ পরবর্তী লক ডাউনে পূর্বের যেসকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল তার সাথে যুক্ত করা হয় গার্মেন্টস কারখানা। লক ডাউন কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, প্রশাসন কঠোর অবস্থান নেয়। জেল, জরিমানা, সচেতনতামূলক প্রচারনা চালিয়ে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে লক ডাউন মেনে চলতে। গতকাল ২৬ জুলাই সোমবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ২৪৭ জন মৃত্যুবরণ করেন। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯,৫২১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রান হারান৷ সাস্থবিধি উপেক্ষা করে দেশের রাজধানীতে কর্মমুখী মানুষের ফেরার চেষ্টা চলছেই। ফেরীঘাটগুলোতে বেড়েছে মানুষের ভীড়। অনেক ক্ষেত্রেই মেনে চলা হচ্ছে না সাস্থবিধি। সোমবার (২৭জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে সকাল থেকেই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে জরুরি পণ্যসেবা গাড়ির সঙ্গে যাত্রীরা পারাপার হচ্ছে ফেরিতে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা বিভিন্ন যানবাহনে ও পায়ে হেঁটে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছাচ্ছেন। যাত্রীরা মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোঃ জামাল হোসেন জানান, এ নৌরুটে জরুরী সেবার যানবাহন পারাপারের জন্য ছোট বড় ৮টি ফেরি চলাচল করছে। জরুরী সেবার গাড়ির চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হ…