শিরোনাম
গোয়ালন্দে মা ইলিশ রক্ষায় যৌথ অভিযান, ৫৫০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ গোয়ালন্দে আইএফআইসি ব্যাংকের অবিচল বিশ্বাসে ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন পাংশায় প্রবাসীর মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় রাজবাড়ীর জেলেরা গোয়ালন্দে এসিল্যান্ডের অভিযান বালুবাহী ৬ ট্রাক জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গোয়ালন্দে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন শত শত মানুষ দৌলতদিয়া পোড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসন, স্থানীয়দের এক হওয়ার আহ্বান গোয়ালন্দে ইউসিবি ব্যাংকের নতুন এজেন্ট শাখার উদ্বোধন গোয়ালন্দে ভেজা বালি পরিবহন, ছয় ড্রাম ট্রাকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কালুখালীতে রেড ক্রিসেন্টের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গোয়ালন্দ মকবুল দোকান এলাকায় কেমিকেল ও চিনি দিয়ে তৈরি হচ্ছে আখের গুড়

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩

0Shares

গোয়ালন্দ মকবুল দোকান এলাকায় কেমিকেল ও চিনি দিয়ে তৈরি হচ্ছে আখের গুড়

রাজবাড়ী জেলার খানখানাপুর ইউনিয়নে মকবুলের দোকান নামক এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে চিনি মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে আখের গুড়।

খানখানাপুর ইউনিয়নে আবজালের কারখানায় ওই আখের গুড় তৈরি করা হচ্ছে। ২৫ মার্চ শনিবার দুপুরে ঐ অনুমোদন ছাড়াই নিজ উদ্যোগে গড়ে উঠেছে গুড় তৈরির কারখানা ওই খানে গিয়ে দেখা যায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব ভেজাল গুড়। রাজবাড়ী জেলাসহ বিভিন্ন বাজারে এইসব গুড় বিক্রি করা হচ্ছে।

জানা যায়, খানখানাপুর বাজারের চর এলাকায় আবজালের অনুমোদনহীন গুড়ের কারখানা দীর্ঘদিন যাবত পরিচালনা করে যাচ্ছেন। চিনি, নালি, রং ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপকরণ মিশিয়ে কাঁচা স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেতে তৈরি করা হচ্ছে ভেজাল আখের গুড়। গুড় তৈরির মূল উপাদান হিসাবে যে আখের রস প্রয়োজন হয়, সেই রসের কোন অস্তিত্বই থাকে না এই গু‌ড়ে। ফলে এটি গুড় না হয়ে হচ্ছে বিষাক্ত খাদ্যদ্রব্য।

এছাড়াও, ড্রাম ও কন্টেইনারের ভিতর দীর্ঘদিন যাবত রেখে দেওয়া নালি ব্যবহার করা হচ্ছে গুড় তৈরির ক্ষেত্রে, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

নাম বলতে রাজি নয় এমন একজন গুড় কারখানায় কর্মরত শ্রমিক বলেন, আমরা এখানে শ্রমিক হিসাবে কাজ করি। কি দিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান চিনি, নালী, মিশিয়ে এ সব গুড় তৈরি করা হয়।

কারখানা মালিক আফজাল জানান,অনুমোদন নিয়েই চালাচ্ছি কারখানা। চিনি মিশিয়ে গুড় কেন তৈরি করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।তবে তিনি বলেছেন কিছু তিনি মিশাতে হয়।

জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সূর্য কুমার প্রামানিক বলেন, কারখানাগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নুরজাহান আক্তার সাথী বলেন, খাদ্যে ভেজাল একটি মারাত্মক অপরাধ। খাদ্যে ভেজাল দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অতি দ্রুত কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg