শিরোনাম
দৌলতদিয়ায় আবারও ‘ডিপার্চার চার্জ’ আতঙ্ক বালিয়াকান্দিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ভুয়া ডিবি সেজে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, সাহসী ইজিবাইক চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি দৌলতদিয়া ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সভায় প্রশাসনকে প্রচ্ছন্ন হুমকি বাস মালিক নেতার রাজবাড়ীতে চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভে বিদ্যালয় মাঠ দখল করে পাট চাষের অভিযোগ গোয়ালন্দে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন গোয়ালন্দে ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন গোয়ালন্দে স্কুল দপ্তরীর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে নারীর রহস্য/জনক মৃ/ত্যু দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর দাবিতে গোয়ালন্দে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

গোয়ালন্দ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার / ২৫০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

0Shares

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা দেবগ্রাম ইউনিয়নের সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি থেকে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে কৃষক দলের নেতা নজরুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্প এলাকার পাঁচ থেকে ছয়টি গাছ কেটে গুছিয়ে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কাটা গাছের ডালপালা ইতোমধ্যে পাশের এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম মোল্লা দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইসমাইল মোল্লার ভাই এবং উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আসমা বেগম জানান, প্রায় ১৫–২০ বছর আগে প্রতিবেশী মনোয়ারা বেগম আর্থিক সংকটে পড়ে কয়েকটি চারা গাছ নজরুল ইসলাম মোল্লার কাছে বিক্রি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় গাছগুলো কাটা হয়নি, তবে সম্প্রতি সেগুলো কেটে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। আবদুর রাজ্জাক শেখসহ আরও কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাও একই বক্তব্য দিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, তিনি বৈধভাবে গাছগুলো কিনেছেন। তার দাবি, শুধু মনোয়ারা বেগম নয় এলাকার আরও কয়েকজন অভাবের কারণে, বিশেষ করে মেয়ের বিয়ের মতো প্রয়োজনে, গাছ বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, সরকার তাদের ঘর ও দুই শতাংশ জমি দিয়েছে। সেই জমির গাছ তারা বিক্রি করেছে, আমি কিনেছি। যদি গাছ কাটায় বাধা থাকে, তাহলে আমি টাকা ফেরত নিয়ে নেব আমার কোনো ক্ষতি হবে না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি পরিবারের সঙ্গে তার পারিবারিক বিরোধ রয়েছে এবং সেই কারণেই তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হলেও এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের। তিনি বলেন, সেখানে বসবাস করা বা ফলগাছের ফল ভোগ করা যেতে পারে, তবে গাছ কাটা সাধারণত অনুমোদিত নয়।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg