শিরোনাম
পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রাজবাড়ীর নতুন পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন নামজারি ফি ১,১৭০ টাকা, গোয়ালন্দে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলেই এসিল্যান্ডকে জানানোর আহ্বান রাজবাড়ীতে মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদর ইউএনও নিরুপমা রায়ের বিদায় বার্তা, পদ্মাকন্যা রাজবাড়ী হৃদয়ে থাকবে গোয়ালন্দে ওজন স্কেলে অভিযান: অতিরিক্ত ওজনের ৫ পরিবহনকে জরিমানা বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ, বাঁশের বেড়ায় ৪ পরিবার অবরুদ্ধ দৌলতদিয়ায় বাসে অগ্নিকাণ্ডের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত নতুন কমিটিতে সভাপ

গোয়ালন্দে দেশি মদের দোকানে নিত্যপণ্যের মতো বিক্রি হচ্ছে মদ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার”রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সরকার অনুমোদিত দেশি মদের দোকানে নিত্যপণ্যের দোকানের মতোই অবাধে মদ বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকেই দোকানের সামনে লম্বা লাইন কেউ হাতে প্লাস্টিক বোতল, কেউ ডোপ, আবার কেউ বস্তা ভর্তি খালি বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। অথচ তাদের বেশিরভাগের কাছেই নেই মদ কেনার পারমিট।

সরেজমিনে যা দেখা যায়, গোয়ালন্দ বাজারের আড়ৎপট্রি এলাকায় অবস্থিত অনুমোদিত দোকান রনজিৎ সরকার ও শুকুমার সরকারের দেশি মদের দোকান। দোকানের সাইনবোর্ডে টিটু সরকারের নাম থাকলেও দেখা যায় পারমিটবিহীন সাধারণ ক্রেতাদের কাছেও ইচ্ছেমতো মদ বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত যে কেউ টাকা আর খালি বোতল দিলেই হাতেনাতে মদ পাচ্ছেন।

যদিও আইন অনুযায়ী পারমিটধারী ছাড়া কারো কাছে মদ বিক্রি নিষিদ্ধ, বাস্তবে দোকানে চলছে ঠিক তার উল্টো চিত্র।

স্থানীয়দের দাবি মদের প্রধান ক্রেতা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি, দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। এদের কারোই নেই বৈধ অনুমোদন।

ফলে কিশোর যুবক থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ সহজেই আসক্ত হয়ে পড়ছে। নেশার টাকার জোগান দিতে গিয়ে অনেকেই জড়িয়ে পড়ছে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপরাধে।

যৌনপল্লীর নিকটবর্তী হওয়ায়, অনেকেই মদ পান করে অসংলগ্ন আচরণ নিয়ে প্রবেশ করে সেখানে যা এলাকাবাসীর জন্য নতুন আতঙ্ক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যৌনপল্লীর এক বাড়িওলা জানান
আমি বহু বছর মদের দোকান করেছি। আগে মদের দাম ছিল লিটার প্রতি ১০০ টাকা এখন যৌনপল্লীতে ৫০০ টাকা লিটার বিক্রি হয়। প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার লিটার মদ যৌনপল্লীতে ঢোকে। এছাড়া ১৮০০ টাকায় ইনটেক্ট কাট খুচরা বিক্রি হচ্ছে, যা অন্য জেলায় ১২০০ টাকায় পাওয়া যায়।

দোকানের ম্যানেজার গোপালের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে দেখা করার কথা বলে ফোন কেটে দেন। এরপর তাকে একাধিকবার কল করলেও আর ফোন রিসিভ করেননি।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন
আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি। পারমিট ছাড়া যদি মদ বিক্রি হয়, কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজবাড়ী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক (ওসি) আবু বক্কার সিদ্দিক রহমান জানান গোয়ালন্দে বর্তমানে মাত্র ৩০০ জনের বৈধ পারমিট আছে। পারমিটধারীরাই কেবল মদ কিনতে পারবেন। অন্য কারো কাছে বিক্রি হলে দোকান মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর ভেতরে ৫০টিরও বেশি অবৈধ দোকানে প্রতিদিন প্রকাশ্যে মদ বিক্রি হচ্ছে। অথচ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা যেন নীরব।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg