শিরোনাম
রাজবাড়ীর পাংশায় স্থাপিত হচ্ছে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) রাজবাড়ীর পাংশায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার। রাজবাড়ীর পাংশায় ২ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও তাজা কার্তুজসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে কৃষি বিভাগ জুলাই শহীদ দিবসে রাজবাড়ীতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ রাজবাড়ীর কালুখালীতে মাছের ঘেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল কৃষকের রাজবাড়ীতে নানা আয়োজনে পালিত ‘জুলাই শহীদ দিবস। কালুখালীতে জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী সফর: সরকারি সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন গোয়ালন্দে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু

লিটন-সুমনের নৈপুণ্যে প্রেসিডেন্টস কাপ চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহর দল

স্টাফ রিপোর্টার / ৬০১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০

0Shares

ফাইনালে টসে হেরে ব্যাটিং এ নামে নাজমুল একাদশ। তবে সুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নাজমুল একাদশ। দলীয় ৪ রানেই সাইফ হাসানকে সাজঘরে ফেরান রুবেল হোসেন। ঠিক এরপরই শুরু হয় সুমন খানের বোলিং তাণ্ডব। একে একে প্যাভিলিয়নের পাঠান মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্তকে। ফাইনালে এতো বাজে পারফরম্যান্স আরও ব্যাকফুটে নিয়ে যায়। তবে হালকা আশার আলো জাগায় তৌহিদ হৃদয় ও ফর্মে থাকা ইরফান শুক্কুর। তৌহিদ যখন স্ট্রাইক রোটেট করে খেলছিল অপরপ্রান্তে ইরফান শুক্কুর স্কোর বোর্ড সচল রাখছিল।

তবে ৫৩ বলে ২৬ রান রান করে অন্যদের মতো বিদায় নেয় তৌহিদ হৃদয়। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরাও ব্যস্ত ছিলেন যাওয়া-আসায়। তবে শেষপর্যন্ত লড়াই করে গেছেন ইরফান শুক্কুর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন শুক্কুর। ৪৭.১ ওভারেই সকল উইকেট বিলিয়ে দিয়ে ইনিংস শেষ করে নাজমুল একাদশ। শেষপর্যন্ত ইরফান শুক্কুরের ইনিংসে ভর করেই ১৭৩ রানের পুঁজি জড়ো করে নাজমুল একাদশ।

১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে মুমিনুল হককে হারালেও মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে অসাধারণ শুরু করে লিটন দাস। তবে বেক্তিগত ৩২ বলে ১৮ রান করে নাসুমের বলে বিদায় নেয় জয়। জয় বিদায় নিলে ক্রিজে আসেন ইমরুল কায়েস। এরপর শুরু হয় দুই পক্ষ থেকে ব্যাটিং তাণ্ডব। ইমরুল কায়েসের সঙ্গ কাজে লাগিয়ে লিটন পূর্ণ করেন অর্ধশতক। ৬৯ বলে ৬৮ রান করে লিটনও জয়ের মত নাসুমের শিকারে পরিণত হন। তার বিদায়ের পর ইমরুলকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের পথ তৈরি করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১টি চার ও ৫টি ছক্কা হাঁকানো ইমরুল ৫৪ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১১ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন শিরোপাজয়ী অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।
ম্যাচসেরা : সুমন খান। টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার: মুশফিকুর রহিম (নাজমুল একাদশ)

স্কোরকার্ড
নাজমুল একাদশ : ১৭৩/১০ (৪৭.১ ওভার)
সাইফ ৪ (৫), সৌম্য ৫ (১১), শান্ত ৩২ (৫৭), মুশফিক ১২ (৩৭), আফিফ ০ (২), হৃদয় ২৬ (৫৩), শুক্কুর ৭৫ (৭৭), নাঈম ৭ (১৮), নাসুম ৩ (১৫), তাসকিন ১ (৬), আল আমিন ২* (১)
রুবেল ৮-২-২৭-২, সুমন ১০-০-৩৮-৫, এবাদত ৮.১-১৮-১, মিরাজ ৯-০-৩৯-১, বিপ্লব ৫-০-২১-০, মাহমুদউল্লাহ ৭-০-২৮-১
মাহমুদউল্লাহ একাদশ : ১৭১/৩ (২৯.৩ ওভার)
লিটন ৬৮ (৬৯), মুমিনুল ৪ (১২), জয় ১৮ (৩২), ইমরুল ৪৭* (৫৪), মাহমুদউল্লাহ ২৩* (১১)
তাসকিন ৭-০-৪৫-০, আল আমিন ৬-১-৩২-১, নাসুম ১০-০-৪৮-২, রাহী ২-০-৭-০, নাঈম ৪.৩-০-৩৮-০
ফল : মাহমুদউল্লাহ একাদশ ৭ উইকেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন।

শিহাবুর রহমান তিমন

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg