শিরোনাম
বাংলাদেশ হাট মোড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি হারুন অর রশীদ ও প্রশাসক আব্দুস সালাম গোয়ালন্দে ৮ বিঘা জমিতে আধুনিক খেলার মাঠ, সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখলেন ইউএনও খানখানাপুরে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ আব্দুল গণির দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল গোয়ালন্দে রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিকের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন গোয়ালন্দে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে বলাৎকারের অভিযোগ গোয়ালন্দে চালককে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ছিনতাই গোয়ালন্দে অর্থের বিনিময়ে কৃষক দলের কমিটি গঠনের অভিযোগ, বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গোয়ালন্দে জুলাই শহীদ দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর পাংশায় স্থাপিত হচ্ছে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) রাজবাড়ীর পাংশায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার।

রোগীর তুলনায় ডাক্তার কম, গোয়ালন্দ হাসপাতালে সেবার সংকট

রোগীর তুলনায় ডাক্তার কম, গোয়ালন্দ হাসপাতালে সেবার সংকট

স্টাফ রিপোর্টার / ৬০১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার “রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করেই রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে শনিবার (১২ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ৮৫ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মাত্র ছয়জন ডাক্তার ও অল্পসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী।

দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বেডগুলো পূর্ণ। রোগীদের ঠাঁই হয়েছে বারান্দায়, মূল প্রবেশপথে এমনকি অপারেশন থিয়েটারের সামনের ফাঁকা জায়গাতেও। অনেকেই নিজ বাড়ি থেকে বিছানার চাদর এনে মেঝেতে বসে বা শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।বিশেষ করে ডায়রিয়া, জ্বর ও পেটব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। পাশাপাশি শিশু ও নারী রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে মহিলা ওয়ার্ডে। ইতোমধ্যেই একজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন—আগামী দিনে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়তে পারে।ছোট ভাকলার বাসিন্দা শরিফা বেগম জানান, “আমি পেটব্যথা ও জ্বর নিয়ে গতকাল রাতে ভর্তি হয়েছি, এখনও সিট পাইনি। তবে ডাক্তার এসে স্যালাইন দিচ্ছেন, চিকিৎসা চলছে।”রেহেনা বেগম নামের আরেক রোগীর স্বজন বলেন, “আমার মেয়ে গত দুই দিন ধরে ভর্তি। জায়গা না পেয়ে আমরা বারান্দায় সিটে আছি। কষ্ট হচ্ছে, তবু চিকিৎসক-নার্সরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।”
শাকিল নামের এক অভিভাবক বলেন, “আমি মেয়েকে নিয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনের ফাঁকা জায়গায় ভর্তি হয়েছি। ডাক্তাররা রাতেও ছিলেন, সকালে আবার এসেছেন। রোগীর সংখ্যা এত বেশি যে হাঁটারও জায়গা নেই, তবু তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।”
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া, জ্বর ও পেটব্যথা নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন কম হলেও দ্রুত বাড়তে পারে। মাত্র ছয়জন ডাক্তার নিয়ে এত রোগীর সেবা দেওয়া কঠিন হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ সময়ে সবাইকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। খাবারে সচেতন হতে হবে, বাসি বা দূষিত খাবার পরিহার করুন। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না।”

১২/০৭/২৫

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg