শিরোনাম
রাজবাড়ীতে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল অনলাইন সংবাদমাধ্যম এশিয়া পোস্ট পদ্মায় নৌপুলিশের অভিযানে ১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ১ গোয়ালন্দে প্রেমের ফাঁ/দে ফেলে স্কুলছাত্রীকে সংঘ/বদ্ধ ধর্ষ/ণের অভিযোগ রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারসহ ৬২ জনকে জেলা পরিষদের অনুদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মুরাদ, ১৬ দিন পর দেশে ফিরল মরদেহ রাজবাড়ীতে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মধু গ্রেফতার গোয়ালন্দে চার প্রতিবন্ধীর পাশে ইউএনও সাথী দাস সংবাদ প্রকাশের পরই দ্রুত পদক্ষেপ রাজবাড়ীর পাংশায় মাদকবিরোধী অভিযান: তিনজন গ্রেফতার, জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা গোয়ালন্দে র‌্যাব-১০ এর সফল অভিযান, ২০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

দৌলতদিয়ায় মাদকের বিস্তার: অভিযানে ধরা পড়ে খুচরা বিক্রেতা, অধরা মূল কারবারিরা

স্টাফ রিপোর্টার / ১০২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

0Shares

দৌলতদিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি উপেক্ষিত সাত দিনের আল্টিমেটামেও থামেনি মাদক বাণিজ্য 

স্টাফ রিপোর্টার, 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পোড়াভিটা, যৌনপল্লী ও আশপাশের এলাকা ক্রমেই মাদক বাণিজ্যের সক্রিয় কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশাসনের অভিযান চললেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন আসেনি।

গত ৩ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের এক সমন্বয় সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি সাত দিনের মধ্যে এসব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে তার তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, আল্টিমেটামের পর কয়েকদিন অভিযান জোরদার হলেও ঈদের আগেই তা অনেকটাই শিথিল হয়ে পড়ে। নিয়মিত অভিযানে মূলত খুচরা বিক্রেতা ও মাদকসেবীরাই গ্রেপ্তার হচ্ছেন। তারা জামিনে বের হয়ে আবারও একই কাজে জড়িয়ে পড়ছেন। বিপরীতে, বড় ডিলার ও মূল কারবারিরা প্রভাব খাটিয়ে নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতদিয়া যৌনপল্লী সংলগ্ন পোড়াভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা চলছে। এখানে বসবাসকারী অনেকেই সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ আছে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পরিচয়ে থাকা লোকজনের ছত্রচ্ছায়ায় এ বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। মাসোহারা আদায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরে অর্থ বণ্টনের অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া হেরোইন, গাঁজা ও দেশীয় মদের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয়। দৌলতদিয়া ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই মাদক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্দিষ্ট কিছু স্থানে নিয়মিত মাদক সেবনের ঘটনাও ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মূল হোতা ও সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঈদের ব্যস্ততার কারণে সাময়িক কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সামনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ঈদের আগেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ঈদে একটু অভিযান কম হলেও আবারও দৌলতদিয়া পোড়াভিটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg