শিরোনাম
রাজবাড়ীর পাংশায় স্থাপিত হচ্ছে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) রাজবাড়ীর পাংশায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার। রাজবাড়ীর পাংশায় ২ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও তাজা কার্তুজসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে কৃষি বিভাগ জুলাই শহীদ দিবসে রাজবাড়ীতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ রাজবাড়ীর কালুখালীতে মাছের ঘেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল কৃষকের রাজবাড়ীতে নানা আয়োজনে পালিত ‘জুলাই শহীদ দিবস। কালুখালীতে জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী সফর: সরকারি সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন গোয়ালন্দে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু

খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে মুখপোড়া হনুমান

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৮৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

0Shares

জহুরুল ইসলাম হালিম//

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় হঠাৎ একটি মুখপোড়া হনুমানের আগমন ঘটেছে। গত কয়েকদিন ধরে এ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সর্বত্রই হনুমানটি অবাধ বিচরণ করছে। এদিকে ওই হনুমানটিকে দেখতে স্থানীয় উৎসুক জনতা ও শিশুরা ভিড় করছে। বিশেষ করে শিশু কিশোরেরাতো সব সময় তার পিছু লেগেই থাকছে। তবে হনুমানটি এখন পর্যন্ত কারো কোন ধরনের ক্ষতি করেনি।

সরেজমিন গেলে স্থানীয়রা জানায়, মুখপোড়া হনুমানটি খুবই শান্ত প্রকৃতির, হয়ত পেটের ক্ষুধায় ভয়ভীতি ছেড়ে লোকালয়ে এসেছে। কারও কোন ক্ষতি করছে না। অনেকেই হাত বাড়িয়ে আপেল, কমলা, কলা, বিস্কিট, পাউরুটি দিচ্ছে, খাবারগুলো নিয়ে সে দেখেশুনে খাচ্ছে। লোকজনের আনাগোনা বেশী দেখলে সেখান থেকে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার পৌর জামতলা, উপজেলা পরিষদ, বাসষ্টান্ড, বাজার ও দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, রেলস্টেশন এলাকার বিভিন্ন স্থানে হনুমানটি দেখা যাচ্ছে। কোথায় থেকে কীভাবে এসেছে তা কেউ বলতে পারছে না। তবে হনুমানটি বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়াচ্ছে। কখনও গাছের মগডালে, কখনও বাড়ির টিনের চালে অথবা ছাদে। আবার কখনও বা কারো গাড়ির উপরে।
দৌলতদিয়া রেল স্টেশন এলাকার ঔষুধ ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক জানান, হঠাৎ করেই দেখি দোকানের সামনে একটি প্রাইভেটকারের উপরে হনুমানটি বসে আছে। হনুমানটি দেখার পর আমার ছেলেকে দেখানোর জন্য বাইরে নিয়ে আসি। আমার ছেলে হনুমানটিকে কলা খেতে দিলে হনুমান কলাটি হাত বাড়িয়ে নিয়ে খায়। তবে এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় না খেয়ে মুখপোড়া হনুমানটি অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মানুষের উৎপাতে প্রানিটির প্রান হানির আশঙ্কাও রয়েছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, এরা প্রকৃতির বন্ধু। হনুমানকে বিরক্ত না করলে সে কারো ক্ষতি করবে না। খাবারের সন্ধানে হয়ত সুন্দরবন এলাকা থেকে এখানে এসেছে। এদের কোন সীমারেখা নেই। প্রকৃতির বন্ধু হনুমানকে বিরক্ত না করাই ভাল।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg