শিরোনাম
রাজবাড়ীতে মাদক নির্মূলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ দৌলতদিয়ায় আবারও ‘ডিপার্চার চার্জ’ আতঙ্ক বালিয়াকান্দিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ভুয়া ডিবি সেজে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, সাহসী ইজিবাইক চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি দৌলতদিয়া ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সভায় প্রশাসনকে প্রচ্ছন্ন হুমকি বাস মালিক নেতার রাজবাড়ীতে চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভে বিদ্যালয় মাঠ দখল করে পাট চাষের অভিযোগ গোয়ালন্দে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন গোয়ালন্দে ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন গোয়ালন্দে স্কুল দপ্তরীর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

বাংলাদেশের সেরা প্রধান শিক্ষক হলেন রাজবাড়ীর শহিদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৪৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০

0Shares

টেলিগ্রাফ ডেস্ক// প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেশের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম।

‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে রোববার তাঁকে দেশের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২ নভেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (বিদ্যালয়-২) শামীম আরা নাজনীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে একই অনুষ্ঠানে মো. শহিদুল ইসলাম প্রথমে বালিয়াকান্দি উপজেলা পর্যায়ে এবং পরে রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়। এরপর ঢাকা বিভাগের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি দেশের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।

মো. শহিদুল ইসলাম ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সে বিজ্ঞান বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর পাস করেন এবং ২ ডিসেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে প্রথম যোগদান করেন। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৮ তে স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জেলার সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত হয়। দেশের মধ্যে তিনি প্রথম তাঁর বিদ্যালয়ে ‘সততা ষ্টোর’ নামের বিক্রেতাবিহীন দোকান প্রতিষ্ঠা করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সাল হতে ৬ বছর যাবত মো. শহিদুল ইসলাম কোন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করেননি। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য স্থানীয় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি তিনি নিজে প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকা বিদ্যালয়টিতে অনুদান হিসেবে দান করেন। তাঁর বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার, গ্রন্থাগার, নামাজঘর, শহীদমিনার, উপকরণ কর্ণার, মিনা রাজু পাক, পতাকামঞ্চ, ভুগোলক, রিডিং কর্ণার, হাসান আলী স্কয়ার, আমাদের ভুবন, পশুপাখির মুর‌্যালসহ নানাবিধ স্থাপনা স্থানীয়ভাবে সম্পন্ন করেন। তিনি বিদ্যালয়টিতে যোগদানের পর বিদ্যালয়টিতে ঈর্ষনীয় সাফল্য পায় শিক্ষার্থীরা। সমাপনীতে ভালো ফলাফল লাভের জন্য তিনি বিদ্যালয়ের সময় সূচীর বাইরে বৈকালিক/নৈশকালীন বিদ্যালয় চালু করেছেন।
মো. শহিদুল ইসলাম তাঁর এই সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg