শিরোনাম
রাজবাড়ীতে মাদক নির্মূলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ দৌলতদিয়ায় আবারও ‘ডিপার্চার চার্জ’ আতঙ্ক বালিয়াকান্দিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ভুয়া ডিবি সেজে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, সাহসী ইজিবাইক চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি দৌলতদিয়া ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সভায় প্রশাসনকে প্রচ্ছন্ন হুমকি বাস মালিক নেতার রাজবাড়ীতে চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভে বিদ্যালয় মাঠ দখল করে পাট চাষের অভিযোগ গোয়ালন্দে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন গোয়ালন্দে ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন গোয়ালন্দে স্কুল দপ্তরীর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

গোয়ালন্দে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাঙল পৌর প্রশাসন, অভিযোগ নোটিশ ছাড়া অভিযান

গোয়ালন্দে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাঙল পৌর প্রশাসন, অভিযোগ নোটিশ ছাড়া অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৬৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার “রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌর এলাকায় সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা রব্বানীর নির্মিত বসতবাড়ি নোটিশ ছাড়াই ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পৌর প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে পৌর এলাকার আড়তপট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের একাধিক সদস্য।
ভুক্তভোগী আফরোজা রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন,
“২০১৫ সালে পৌর এলাকার আড়তপট্টিতে আমি তিন শতাংশ জমি ক্রয় করে যথাযথভাবে মিউটেশন করে একটি বাড়ি নির্মাণ করি। পরবর্তীতে সেটি ভাড়া দিই। রাস্তার জন্য জায়গা নেওয়ার বিষয়ে একবার একটি নোটিশ পেয়েছিলাম, তখনই আমি জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণের অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু এরপর কোনো নতুন নোটিশ ছাড়াই আমার ঘর ভেঙে দেওয়া হয়।”
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন,“প্রায় এক মাস আগে আমার ভাড়াটিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। আমি রাস্তার স্বার্থে জমি ছাড়তে প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু সরকারি মাপজোক ছাড়া ঘর ভাঙা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অমানবিক। আমি এর প্রতিকার চাই এবং আইনের আশ্রয় নেব।”আফরোজার স্বামী ও গোয়ালন্দ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মাহবুব রব্বানী বলেন,
“আমরা প্রথম নোটিশ পাওয়ার পরই পৌর প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করি এবং স্বেচ্ছায় জমি ছাড়তে রাজি হই। শুধু বলেছিলাম, আগে মাপজোখ করে আমাদের জমি অংশ নির্ধারণ করুন। কিন্তু পরবর্তীতে আর কোনো নোটিশ না দিয়েই আমাদের সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হয়। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।”
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও মো. নাহিদুর রহমান সরাসরি কথা বলতে না চাইলেও মুঠোফোনে জানান,
“ঘর ভাঙার আগে নিয়ম অনুযায়ী তিনবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যেই জায়গায় বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল তা মূলত সরকারি খাস জমি। আগের মালিক জমির চেয়ে বেশি অংশ রেকর্ড করেছিলেন। আমরা মাপজোক করে সেই অংশ দখলমুক্ত করেছি।”

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg