শিরোনাম
রাজবাড়ীর তিন উপজেলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর পাংশায় মাইক্রোবাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত ৫ গাজীপুরে আত্মগোপনে থাকা গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি রায়হান গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে সিগারেট বিক্রি: রাজবাড়ীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ ৫ জন গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে বুদ্ধি ও বাক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে গাঁজা-ইয়াবাসহ দুই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে পানিতে ডুবে ৫ বছর বয়সী শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু রাজবাড়ী জেলা পরিষদের উদ্যোগে দৌলতদিয়ায় ৪২ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

যারা এখনো ভ্যাকসিন নেয়নি, তারা ঝুঁকিতে রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার / ২৭২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২
যারা এখনো ভ্যাকসিন নেয়নি, তারা ঝুঁকিতে রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি,

১৩ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, । অল্প সময়ের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর আর বুস্টার ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে না। সকলকেই টিকা নিতে হবে। শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নবজাতকদের বিশেষায়িত সেবায় স্ক্যানো ইউনিট উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতি এখন ভালো আছে। কোভিডে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে এবং আক্রান্তের হার ৪ ভাগের নিচে নেমে এসেছে। তবে এখনো অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেননি। দ্বিতীয় ডোজ ৯০ লাখ মানুষ নেয়নি। এ ছাড়া বুস্টার ডোজ মাত্র চার কোটি মানুষ নিয়েছে। কেউ প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ না নিলে বুস্টার ডোজ পাবেন না। তিনি আরও বলেন, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনার টিকা প্রদান পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ আগস্ট থেকে সিটি করপোরেশনগুলোতে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশেই স্কুলগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। নিবন্ধন ছাড়া শিশুকে টিকা দেওয়া যাবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতি হাজারে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ জন শিশু মারা যায়। এই মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলা হাসপাতালে স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ন ইউনিট (স্ক্যানো ইউনিট) চালু করা হবে। এতে নবজাতকের মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে। তিনি বলেন, অপরিপক্ক ও নানা রোগে আক্রান্ত নবজাতকদের বিশেষায়িত সেবার জন্য স্ক্যানোতে রাখতে হয়। এই স্ক্যানোতে বিশেষায়িত সেবার ফলে নবজাতক সুস্থ হয়ে ওঠে। এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদেরকে শিশু মৃত্যুর হার ১০ শতাংশে কমিয়ে আনতে হবে। সেই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে প্রায় ৫০টি হাসপাতালে এই বিশেষায়িত সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমের দেশের প্রতিটি জেলা হাসপাতালে স্ক্যানো ইউনিট চালু করা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বাড়ায় সারাদেশেই জনবলের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় নতুন জনবল কাঠামো তৈরি করে জনবল নিয়োগ দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোভিডের মধ্যে ১৫ হাজার চিকিৎসক এবং ২০ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী সব হাসপাতালে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পরে হাসপাতালের মিলনায়তনে স্ক্যানো ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, পৌর মেয়র মো. রমজান আলীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg