শিরোনাম
গোয়ালন্দে স্বপ্ন কুড়ির উদ্যোগে সেরা তিন পুত্রবধূকে সম্মাননা গোয়ালন্দ ভূমি অফিসের চুরির মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় ব্যাহত ভূমি সেবা গোয়ালন্দে সন্ত্রাসী হামলায় মুমূর্ষু যুবক, আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার গ্রেপ্তার  বালিয়াকান্দিতে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৬০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ, মোবাইল কোর্টে জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পরিকল্পনা ছাড়াই গোয়ালন্দ আড়ৎপট্টিতে ড্রেন নির্মাণ, ভারি যান চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দে মাদকবিরোধী অভিযান, গাঁজা-হেরোইনসহ ৫ জন আটক ১ যুগ পর গোয়ালন্দে ফিরছেন সাবেক যুবদল নেতা ফরিদ দেওয়ান, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনা তুঙ্গে গোয়ালন্দে ৩৯০টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট বিতরণে আবেদন আহ্বান, অর্থ লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান রাজবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা

মেয়ে মানুষের স্কুটি চালানো কি অপরাধ?

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৭৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২

0Shares

রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্কুটি চালিয়ে নিজের দুই বাচ্চাকে প্রায়দিনই স্কুলে পৌঁছে দিতে যান এক নারী। প্রায়দিনই তার সঙ্গে দেখা হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। তবে গত ১৩ মার্চ ওই নারীকে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়।

এক ট্রাফিক পুলিশ তাকে উত্ত্যক্ত করেন। তিনি বাসচালকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মারেন ভাই মারেন, মেয়ে মানুষ আবার স্কুটি চালায়।’

রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্কুটি চালিয়ে নিজের দুই বাচ্চাকে প্রায়দিনই স্কুলে পৌঁছে দিতে যান এক নারী। প্রায়দিনই তার সঙ্গে দেখা হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। তবে গত ১৩ মার্চ ওই নারীকে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়।

এক ট্রাফিক পুলিশ তাকে উত্ত্যক্ত করেন। তিনি বাসচালকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মারেন ভাই মারেন, মেয়ে মানুষ আবার স্কুটি চালায়।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি ট্রাফিকের এটিএসআই।

এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওই ট্রাফিক পুলিশ সদস্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এরপরও আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি ওই নারীকে। তিনি অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তানিয়া ইসলাম নামে ওই নারী অভিযোগ করে স্ট্যাটাসে বলেন, “বাচ্চাদের স্কুলে দিতে যাবার সময় এক ট্রাফিক পুলিশ বলছে ‘মারেন ভাই মারেন একে তো মেয়ে মানুষ তার ওপর স্কুটি চালায়, ডেইলি দুটা বাচ্চা নিয়ে স্কুলে দিতে আসে, মারেন, মারলে কোন সমস্যা নাই। আবার বলে, ‘আমি বলছি মারলে সমস্যা নাই মারেন’।

এই হচ্ছে আজ আমাদের দেশের পুলিশের চেহারা, যাদের উচিত জনগণকে কেউ মারলে রক্ষা করা, তারা বলে মারেন কোন সমস্যা নাই, আমি আছি ???

মারার কারণ, প্রথমতঃ আমি মেয়ে মানুষ (!), তার ওপর স্কুটি চালাই (মেয়ে মানুষের এত সাহস), তার ওপর Daily দুটা বাচ্চার স্কুলে স্কুটি করে আনা-নেয়া করি… পুলিশ নামক পুরুষের তা সহ্য হচ্ছে না…

এখন যে থানায় জিডি করতে যাব, তারও কোনো লাভ হবে বলে মনে হয় না… ।”

ওই নারী স্ট্যাটাসের কমেন্টস অপশনে মন্তব্য করেন, “আমি গিয়েছিলাম জিডি করতে ৩২নং এর পুলিশ ফাঁড়িতে। গিয়ে দেখি আমার কথা সবাই জানে! ওখানে ছিলেন সহকারী কমিশনার আকরাম হাসান টুকু।

তিনি বললেন, জিডি করে লাভ নাই কারণ পুলিশই তো তদন্ত করে! কিছু পাওয়া যাবে না! তার চেয়ে উনি দেখবেন ব্যপারটা! তারপর সাইফুলকে (সেই ট্রাফিক পুলিশ) ডাকা হলো, তিনি বললেন, তিনি নাকি আমাকে কিছু বলেননি, শুধু সাবধানে স্কুটি চালাতে বলেছেন!

তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার ছবি তোলার আগে, আমি যে আপনাকে বললাম, ভাই আপনি তো মানুষ মারার সুপারি নিছেন, আসেন আপনার একটা ছবি তুলি, সেটা কেন বললাম তাহলে!!! আর সব ড্রাইভার আপনার কথা শুনে কেন হাসল? আর ভালো উপদেশ দিলে কেউ জিডি করতে আসে??? তখন কোনো উত্তর নাই!!! সবাই এক সাথে মিথ্যা বলে??? এত মিথ্যা মানুষ কীভাবে বলে, বলার মতো কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না!!

সূত্রঃ জাগো নিউজ

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg