শিরোনাম
রাজবাড়ীতে একাধিক মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুক্তার মৃধা র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে গোয়ালন্দ থানায় জিডি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি ও হয়রানির অভিযোগ অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজবাড়ীতে মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার পরিকল্পনার প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল গোয়ালন্দে বসতঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন এসিল্যান্ড মুনতাসীর দৌলতদিয়ার পুড়াভিটায় মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, হাতকড়াসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাই রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের ঘোষণা

গোয়ালন্দে নূরাল পাগলা দরবারে হামলা: ৯৬ জনকে আসামি করে দায়ের করা মামলার প্রত্যাহার আবেদন গ্রহণ করেছে আমলী আদালত, শুনানি ২২ ডিসেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার”রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আলোচিত নূরুল হক ওরফে নূরাল পাগলার দরবারে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন মামলার বাদী ও নূরাল পাগলার শ্যালিকা শিরিন বেগম।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে তিনি গোয়ালন্দ আমলী আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আবেদন জমা দেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে আগামী ২২ ডিসেম্বর আদেশের  তারিখ নির্ধারণ করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী শিরিন বেগম ও মামলার নামীয় আসামিদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের পরই তিনি মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেন।

গত ১৩ নভেম্বর শিরিন বেগম নূরাল পাগলার দরবারে হামলার ঘটনায় ৯৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০০–৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেয়।

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর গোয়ালন্দ বাজারের শহীদ মহিউদ্দিন আনসার ক্লাবে ইমান আকিদা রক্ষা কমিটি ও তৌহিদী জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বিক্ষোভ থেকে একদল লোক নূরাল পাগলার দরবারে হামলা চালায়। শরিয়তবিরোধী দাফনের অভিযোগ তুলে তাঁর লাশ কবর থেকে তুলে এনে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের পদ্মা মোড়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
হামলায় ১০–১২ জন পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন এবং গুরুতর আহত রাসেল মোল্লার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর রাসেল মোল্লার বাবা আজাদ মোল্লা ৮ সেপ্টেম্বর গোয়ালন্দ ঘাট থানায় হত্যা, লাশ উত্তোলন, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয় এবং পুলিশ এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ ছাড়া ৬ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় উপপরিদর্শক সেলিম মোল্লা আরও একটি মামলা করেন। এই মামলায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে এবং পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg