আলামিন হোসেন শাকির
বিশেষ প্রতিনিধি
১৬ আগস্ট (সোমবার) তারিখে দুপুরে পাংশা উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে পাংশা উপজেলা কৃষি অফিস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মনোজিৎ কুমার মল্লিক, অতিরিক্ত পরিচালক,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,ফরিদপুর অঞ্চল,ফরিদপুর।
এসময় তিনি বলেন,বসতবাড়িতে পারিবারিক মডেল পুষ্টি বাগান এমনভাবে তৈরি করা হবে, যা একজন কৃষক সারা বছরই খামার থেকে কিছু না কিছু পাবেনই। কখনো সবজি থাকবে, আবার কখনো থাকবে ফল। বসতবাড়ীর আশেপাশে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি, পেঁয়াজ মরিচ, এর আবাদ করতে হবে। স্বল্প টাকার ওষুধ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কাঁচকলা ও পেঁপের আবাদ বেশি করে করতে হবে। কারন, এ দুটো হলো মহাঔষধ এছাড়াও এটি খুবই নিরাপদ। এছাড়াও বাড়ীর আঙ্গিনায় বিভিন্ন ধরনের ফলমূল এর গাছ রোপন করার উপর তাগিদ দেন তিনি।
রাজবাড়ী পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রতন কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শহীদ নূর আকবর,উপ-পরিচালক,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজবাড়ী ও মাদিদুর রহমান,অতিরিক্ত উপ-পরিচালক,(উদ্যান)কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজবাড়ী ও কাজী এজাজুল করিম, পাংশা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা।
দুই দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৩০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশ নেন। পরে প্রত্যেক কৃষককে একটি করে আমের চারা, পেয়ারার চারা ও মালটা গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
রাজবাড়ী পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রতন কুমার ঘোষ বলেন, প্রকল্পটির আওতায় গ্রামের মানুষ বসতবাড়ির আঙিনা, পুকুর ও খালের পাড়, বাড়ির আশপাশ, স্যাঁতসেঁতে ছায়াযুক্ত প্রতি ইঞ্চি অব্যবহৃত ও অনাবাদি জমিতে শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদন করবেন। এতে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।