শিরোনাম
পাংশায় প্রবাসীর মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় রাজবাড়ীর জেলেরা গোয়ালন্দে এসিল্যান্ডের অভিযান বালুবাহী ৬ ট্রাক জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গোয়ালন্দে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন শত শত মানুষ দৌলতদিয়া পোড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসন, স্থানীয়দের এক হওয়ার আহ্বান গোয়ালন্দে ইউসিবি ব্যাংকের নতুন এজেন্ট শাখার উদ্বোধন গোয়ালন্দে ভেজা বালি পরিবহন, ছয় ড্রাম ট্রাকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কালুখালীতে রেড ক্রিসেন্টের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজবাড়ীতে বিভিন্ন মামলার ৭ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ৫৫ বছরের সাইফুল গ্রেপ্তার

রোগীর তুলনায় ডাক্তার কম, গোয়ালন্দ হাসপাতালে সেবার সংকট

রোগীর তুলনায় ডাক্তার কম, গোয়ালন্দ হাসপাতালে সেবার সংকট

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৩১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার “রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করেই রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে শনিবার (১২ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ৮৫ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মাত্র ছয়জন ডাক্তার ও অল্পসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী।

দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বেডগুলো পূর্ণ। রোগীদের ঠাঁই হয়েছে বারান্দায়, মূল প্রবেশপথে এমনকি অপারেশন থিয়েটারের সামনের ফাঁকা জায়গাতেও। অনেকেই নিজ বাড়ি থেকে বিছানার চাদর এনে মেঝেতে বসে বা শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।বিশেষ করে ডায়রিয়া, জ্বর ও পেটব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। পাশাপাশি শিশু ও নারী রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে মহিলা ওয়ার্ডে। ইতোমধ্যেই একজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন—আগামী দিনে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়তে পারে।ছোট ভাকলার বাসিন্দা শরিফা বেগম জানান, “আমি পেটব্যথা ও জ্বর নিয়ে গতকাল রাতে ভর্তি হয়েছি, এখনও সিট পাইনি। তবে ডাক্তার এসে স্যালাইন দিচ্ছেন, চিকিৎসা চলছে।”রেহেনা বেগম নামের আরেক রোগীর স্বজন বলেন, “আমার মেয়ে গত দুই দিন ধরে ভর্তি। জায়গা না পেয়ে আমরা বারান্দায় সিটে আছি। কষ্ট হচ্ছে, তবু চিকিৎসক-নার্সরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।”
শাকিল নামের এক অভিভাবক বলেন, “আমি মেয়েকে নিয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনের ফাঁকা জায়গায় ভর্তি হয়েছি। ডাক্তাররা রাতেও ছিলেন, সকালে আবার এসেছেন। রোগীর সংখ্যা এত বেশি যে হাঁটারও জায়গা নেই, তবু তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।”
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া, জ্বর ও পেটব্যথা নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন কম হলেও দ্রুত বাড়তে পারে। মাত্র ছয়জন ডাক্তার নিয়ে এত রোগীর সেবা দেওয়া কঠিন হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ সময়ে সবাইকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। খাবারে সচেতন হতে হবে, বাসি বা দূষিত খাবার পরিহার করুন। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না।”

১২/০৭/২৫

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg