জহুরুল ইসলাম হালিম// ঘন কুয়াশায় দেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চালের দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিট থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সাড়ে ৬ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় পাড়ে নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে আটকা পড়েছে শত শত যানবাহন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত দশটার পর থেকে নদী এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে রাত ২টা ৩০মিঃ এর দিকে বিআইডব্লিটিসি কতৃপক্ষ যে কোন ধরনের দূর্ঘটনা এড়াতে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষনা করে। সকাল ৯ টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমে এলে ফের ফেরি চলাচল শুরু হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে ফেরি চলাচল টানা সাড়ে ৬ ঘন্টা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় নদীর শীতল বাতাসের মধ্যে সারা রাত আটকে থাকায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে শিশু, রোগী,মহিলা,ও চালকরা।
হানিফ পরিবহনের যাত্রী মতিউর বলেন, রাত ৩ টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে সিরিয়ালে আটকে আছি। পরে জানতে পারি কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘাট এলাকায় রাত থেকে এখন পর্যন্ত আটকে থেকে চরম দূর্ভোগে রয়েছি।
খুলনা থেকে আসা কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক ড্রাইভার লুৎফর রহমান বলেন, কুয়াশার মধ্যে ঘাটে ফেরি চলাচল না করায় আটকে পড়েছি। শীতের রাতে প্রচুর কষ্ট হয়েছে।
এদিকে ঘাটে কুয়াশায় ফেরী চলাচল বন্ধ থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ট্রলার যোগে যাত্রী পার হতে দেখা গেছে।
বিআইডব্লিটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যাবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি ফেরি বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল রাত ২টা ৩০ মিনিট থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই নৌপথে বর্তমানে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। দূর্ভোগ কমাতে আটকে থাকা যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নদী পার করা হবে বলে জানান তিনি।