শিরোনাম
গোয়ালন্দে সরকারি খালের ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত পাংশার দক্ষিণাঞ্চলে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির দাবিতে মানববন্ধন গোয়ালন্দে ৪৮ পুরিয়া হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ৭০ পুরিয়া হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে এসিল্যান্ডের ওপর হামলা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল শেখ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে পুলিশ সদস্যকে মারধরের মামলার অন্যতম প্রধান আসামি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে মাতম চলাকালে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল ভক্তের কালুখালীতে চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, ৬ লাখ টাকার জাল জব্দ কালুখালীতে উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ ইউএনও’র

গোয়ালন্দে সরকারি খালের ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার / ২০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

0Shares

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নে সরকারি খালের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত একটি মুরগির খামারের আংশিক অংশ উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। খামারটি খাল খনন কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাথী দাসের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে খামারের সরকারি জমির ওপর নির্মিত অংশ আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা হয়। তবে খামারে জীবিত মুরগি থাকায় মানবিক দিক বিবেচনায় মালিককে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বকর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু, উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মরা পদ্মা এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। গোয়ালন্দ নাজিরুদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিশ্বনাথপাড়া বেড়িবাঁধ পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রশাসন জানায়, খাল খনন প্রকল্প শুরুর পর থেকেই সরকারি খালের ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেও খামার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্দেশনা অমান্য করায় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে হয়।

খামারের মালিক হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার তাদের সতর্ক করেছিল। তিনি বলেন, হ্যাচারিটি ১০ থেকে ১২ জনের যৌথ মালিকানাধীন। আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমিটি আমাদের হলেও বিএস রেকর্ড অনুযায়ী এটি সরকারি জমি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, সরকারি খাল খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। খালের ওপর নির্মিত এই খামারের কারণে খননকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি। একাধিকবার সতর্ক করার পরও তারা স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। তাই আজ আংশিক উচ্ছেদ করা হয়েছে। খামারে মুরগি থাকায় মানবিক কারণে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, এর মধ্যে তারা মুরগি সরিয়ে সরকারি জমি সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg