বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বহুল প্রত্যাশিত নিষেধাজ্ঞার এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। আজ এই নিষেধাজ্ঞার শেষ দিন। আগামীকাল থেকে মুক্ত হচ্ছেন। গত বছর ২৯ অক্টোবর দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন ও এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। ফলে আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞার সেই সময়টা। আগামীকাল থেকে আবার সব ধরনের ক্রিকেট খেলার জন্য উন্মুক্ত সাকিব।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৪ বছর কাটিয়ে দেওয়া সাকিব এত বড়সড় ভুল করে বসবেন, এমনটা কেউই হয়ত আশা করেনি।
সাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, আন্তর্জাতিক দুটি ম্যাচ ও আইপিএলের একটি ম্যাচে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা জানাননি আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগকে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ দুটি ছিল জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে। সে বছর আইপিএলের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ম্যাচেও একই অপরাধ করেন সাকিব, ভাঙেন আইসিসির দুর্নীতি দমন আইনের ২.৪. ৪ ধারা।
শ্রীলংকা সফর হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দিয়েই সাকিবের প্রত্যাবর্তন ঘটত। কিন্তু শ্রীলংকা সফর না হওয়ায় দেশের মাটিতে পাঁচ দলের টি ২০ টুর্নামেন্ট দিয়েই তিনি ক্রিকেটে ফিরবেন।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেই টি ২০ টুর্নামেন্টের দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। দলের সঙ্গে অনুশীলনও করবেন। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে তার।
সাকিবের মুক্তিতে আইসিসির কোনো বাধা আছে কি না জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যতটুকু জানি সাকিবের ফেরা নিয়ে কোনো নির্দেশনা নেই, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তিনি মুক্ত হবেন।’
নভেম্বরের মাঝামাঝি পাঁচ দলের যে টি ২০ টুর্নামেন্ট দিয়ে ক্রিকেটে ফিরবেন সাকিব সেখানে তিনিই মূল আকর্ষণ। সাকিবকে ঘিরে সবার এই আগ্রহকে পুঁজি করেই টুর্নামেন্টের জন্য টিম স্পন্সর খোঁজার কাজ শুরু করেছে বিসিবি।