রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এনে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
মাদকবিরোধী অভিযান, অবৈধ মাটি উত্তোলন রোধ, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং ভূমি অফিসের জটিল সমস্যা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধ দমনে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে নাগরিকদের দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে ভূমি অফিসে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে অভিযান এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এসিল্যান্ডের সক্রিয় ভূমিকা উপজেলার প্রশাসনিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
গোয়ালন্দবাসীর উদ্দেশ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, গোয়ালন্দ উপজেলার পরিবর্তনের দায়িত্ব আপনাদেরও। আমি আপনাদের সেবা করার জন্য এখানে এসেছি। জনগণের সমস্যা সমাধান করা এবং তাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। প্রশাসন একা সবকিছু করতে পারে না, এজন্য সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, দৌলতদিয়া এলাকায় একটি নিষিদ্ধ পল্লি থাকায় এ অঞ্চলে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলক বেশি। তবে উপজেলার সচেতন জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে মাদকসহ সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রশাসন এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, মাঠপর্যায়ে উপস্থিতি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণে ইতোমধ্যেই তিনি একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় গোয়ালন্দ উপজেলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একজন দায়িত্বশীল ও কর্মঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গোয়ালন্দ উপজেলায় উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও জনসেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশাবাদী।