শিরোনাম
রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের ঘোষণা কালুখালীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন খাগজানা উচ্চ বিদ্যালয় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি ভেজাল তিল তৈরির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা রাজবাড়ীর কালুখালীতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৩ রাজবাড়ীর লোকোশেড এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট: গাঁজাসহ আটক ৫, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড কালুখালীতে নিখোঁজ জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের ৮ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার গোয়ালন্দে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচির উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল রাজবাড়ীর তিন উপজেলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

গোয়ালন্দে নির্বিচারে আঞ্চলিক সড়কের গাছ কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার,

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা এলাকা ও দৌলতদিয়া ৩নং ওয়ার্ড বেপারী নদী পাড়ে এলজিডি কর্তৃক নির্মিত ইট সলিং রাস্তার দুই পাশে থাকা সরকারী ভাবে রোপন করা বনায়নের গাছগুলো দুর্বৃত্তরা নির্বিচারে কেটে নিচ্ছে। এ যেন দেখার কেউ নেই।

জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে দৌলতদিয়া ঘাট মহাসড়ক হতে বেপারী পাড়া হয়ে দেবগ্রাম তেনাপচা পর্যন্ত নদীর পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মিত হওয়ার পর বন্যা ও দুর্যোগ প্রতিরোধে রাস্তার দুই পাশে সরকারী ভাবে প্রথমে প্রচুর বাবলাগাছ রোপন করা হয়েছিলো। এর কয়েক বছর পরে উপজেলা এলজিডি কর্তৃপক্ষ ওই রাস্তায় ইট সলিং করে। এরপর স্থানীয় জনগনকে উপকার ভোগী হিসেবে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাবলা, বকাইন, বন সিটকি, চিকরাশিসহ নানা প্রজাতির গাছরোপন করা হয়। বর্তমানে ওই গাছগুলো দুর্বৃত্তরা নির্বিচারে কেটে নিচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, তেনাপচা গ্রামের মৃত বাহাদুর বেপারীর ছেলে শাজাহান শেখ ৩ টি বাবলা গাছ, ১টি বকাইন ১ বনসিটকি গাছ একই এলাকার আশ্রায়ন প্রকল্পের গাছ ব্যবসায়ী সিদ্দিক মন্ডলের কাছে বিক্রি করেন। সরকারী রাস্তার গাছ কেন কাটলেন জানতে চাইলেন শাজাহান শেখ ও সিদ্দিক মন্ডল বলেন, অনেকেইত কেটে নেয়। কেউতো নিষেধ করে না। তাছাড়া ওগুলো আমাদের লাগানো গাছ তাই কেটেছি। এভাবে দিনের পর দিন ওই সড়কে বন্যা প্রতিরোধক দীর্ঘদিনের বাবলা গাছসহ নানা প্রজাতির গাছগুলো কেটে উজার করা হলেও কেউ কোন বাধা দেয় না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলার একজন সাবেক ফরেস্ট অফিসার জানান, প্রায় ২০ বছর আগে তিনি যখন গোয়ালন্দে কর্মরত ছিলেন তখন ওই তেনাপচা রাস্তাসহ চরাঞ্চলে তৈরী হওয়া সব রাস্তাগুলো বন্যা প্রতিরোধে দুই পাশে সরকারী নির্দেশে বাবলা রেইনটি সহ নানা প্রজাতির গাছ রোপন করা হয়েছিলো।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা বন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে আমি ওখানে গিয়েছিলাম। যারা গাছ কেটেছে তারা বলেছেন ওগুলো তাদের লাগানো গাছ। তাই বাধা দেই নাই। বনায়নের গাছ হলে আমি মামলা করব।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg