শিরোনাম
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় মিলনের যাবজ্জীবন পাংশায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পূজা কমিটির নেতাদের সঙ্গে ওসির মতবিনিময় গোয়ালন্দে শিশু ধর্ষণচেষ্টার মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রাজবাড়ীর নতুন পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন নামজারি ফি ১,১৭০ টাকা, গোয়ালন্দে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলেই এসিল্যান্ডকে জানানোর আহ্বান রাজবাড়ীতে মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদর ইউএনও নিরুপমা রায়ের বিদায় বার্তা, পদ্মাকন্যা রাজবাড়ী হৃদয়ে থাকবে গোয়ালন্দে ওজন স্কেলে অভিযান: অতিরিক্ত ওজনের ৫ পরিবহনকে জরিমানা

বিদেশে নেয়ার কথা বলে প্রতারণা ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৫০৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৮ মে, ২০২৪

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার,

বিদেশে নেয়ার কথা বলে প্রতারণা ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মাজেদুজ্জামান রনির বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তরা হলেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের ভাগলপুর এলাকার মো. মনিরুজ্জামানের ছেলে মো. মাজেদুজ্জামান রনি (৩৪), ও মো. মানিক (৩৮), এবং মেয়ে মোছা. মাহমুদা খাতুন (২৫)।

অভিযোগকারী শাকিল আহমেদ জানান, মাজেদুজ্জামান রনি এস্তনিয়া প্রবাসী। তার সাথে আমার মাঝে মধ্যেই মোবাইল ফোনে কথা হতো। সে আমাকে বৈধ ভিসায় ৪ মাসের মধ্যে সার্ভিয়ায় নেওয়ার কথা বললে তার সাথে আমার ৮ লক্ষ টাকা চুক্তি হয়। এছাড়াও বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে রনির বোন মাহমুদা খাতুন ও ভাই মানিকের সাথেও আমার কথা হয়। উক্ত চুক্তি অনুযায়ী আমি রনির বোনের উপজেলা কমপ্লেক্স শাখার একাউন্ট নাম্বারে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ও তার ভাইয়ের বিকাশ নাম্বারে ২০ হাজার টাকা প্রদান করি। উক্ত টাকা নেওয়ার পরে ৪ মাস অতিবাহিত হলেও তারা আমাকে আজ কাল বলে ঘোরাইতে থাকে। তারা আমার সাথে প্রতারনা মূলক ভাবে বিদেশে না নিয়ে আমার টাকা আত্মসাত করেছে।

অভিযোগকারী জাকির হোসেন জানান, মাজেদুজ্জামান রনির সাথে আমার মোবাইল ফোনে কথা বার্তা হতো। এক পর্যায়ে রনি আমাকে বৈধ ভিসায় ৪ মাসের মধ্যে সার্ভিয়ায় নেওয়ার কথা বললে তার সাথে আমার ৮ লক্ষ টাকা চুক্তি হয়। এছাড়াও বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে রনির বোন মাহমুদা খাতুন ও ভাই মানিকের সাথেও আমার কথা হয়। উক্ত চুক্তি অনুযায়ী আমি রনির বোনের সোনালী ব্যাংক উপজেলা কমপ্লেক্স শাখার একাউন্ট নাম্বারে ৯০ হাজার টাকা প্রদান করি। উক্ত টাকা নেওয়ার পরে তারা আমাকে আজ কাল বলে ঘোরাইতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের কাছে টাকা ফেরত চাইলেও তারা আমার টাকা ফেরত দেয় নাই। বর্তমানে আমি তাদেরকে ফোন করলে তারা ফোন রিসিভ করে না। তারা প্রতারণা মূলকভাবে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিদেশে না নিয়ে আমার টাকা আত্মসাত করেছে।

অভিযুক্ত, মানিক এর মুঠোফনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি। মাহমুদা খাতুন এর মুঠোফনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এবং রনির সাথেও মুঠোফনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg