শিরোনাম
৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে রাজবাড়ী জেলা পুলিশের মতবিনিময় পাংশায় প্রবাসীর বাড়িতে চাঁদা দাবিতে ভাঙচুর ও বোমাবাজির অভিযোগ গোয়ালন্দে মাদক নির্মূলে অভিভাবক সমাবেশ শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান পাংশায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলার পর বাকপ্রতিবন্ধী নারী নিখোঁজ, আসামির বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিদায়ী পুলিশ সুপার মনজুর মোরশেদের বিদায় সংবর্ধনা রাজবাড়ীর নতুন পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ ১৮তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত রাজবাড়ীর হাফসা ও দেবব্রত দৌলতদিয়ায় নৌ পুলিশের উপস্থিতিতেই ‘ফানি ভিডিও’র নামে টাকা দাবির অভিযোগ, নৌ ওসি বললেন ‘দায়িত্ব আমাদের না’ রাজবাড়ী ডিবির ওসি মফিজুল ইসলাম পেলেন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)

পাহাড়ে মেজর সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না: সিফাত

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৯৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

0Shares

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা যখন গুলিবিদ্ধ হন, সে সময় তার পাশেই ছিলেন তার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত। পরে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে গিয়ে সিফাতকে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয় কয়েক ঘন্টা এবং করা হয় জিজ্ঞাসাবাদ।

সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত বলেন, ‘না কোন অস্ত্র ছিলো না। আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিলো ওইটাকে উনারা ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু পাহাড় থেকে নামার সময় কোন অস্ত্র ছিলো না। আমি হাত তোলা দেখে পিছনে চলে এসেছি। আমাদের আগেই গাড়ি থেকে নামতে বলেছিলো।’ শামলাপুর চেকপোস্টে পরিচয় জানার পর গাড়ির সামনে ড্রাম ফেলে আটকে দেয়া হয় তাদের। সিফাত আরও বলেন, ‘আমরা প্রথম যখন পৌঁছেছি আমাদের বলা হলো আপনাদের সম্বন্ধে জানান। আমরা গাড়ির গ্লাস ওঠানোর সময় উনি আসলেন। এসে উনি বললেন, দাঁড়ান আবার বলেন। তারপর উনি দৌড়ে গিয়ে ড্রামটা সামনে দিয়ে দিলেন। উনাদের গায়ে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিলো না। তারা ৪-৫ জন ছিলো।’
তারপরই গাড়ি থেকে বের হতে বলে পুলিশ।

প্রশ্নকর্তাদের জানতে চেয়েছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার অবস্থান এবং অস্ত্র কোথায় ছিলো? এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত জানান, ‘সিনহা স্যার যখন গাড়ি থেকে নামেন আমি দেখেছি উনি পিস্তলটা গাড়িতে রেখে নেমেছেন। আমি দেখেছি উনি দু’হাত তুলে গাড়ি থেকে নেমেছেন। আমিতো পিছনে ছিলাম তাই আমি শুধু দেখেছি উনি নিচু হয়ে ছিলেন। তাই উনার পদক্ষেপটা আমি দেখতে পাইনি।’

সিফাত জানান, ‘গুলি করার সময় আশেপাশে তেমন কোন লোকজন ছিলো না। দূরে হয়তো ছিলো তবে প্রথমদিকে কোন ভিড় হয়নি। প্রথমে পেছনে একটা বা দুুইটা গাড়ি ছিলো। পরে ক্রাউড হয়েছিলো।’

এই সিফাত এখন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg