শিরোনাম
রাজবাড়ীতে নবজাতকের মরদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য, মামা শ্বশুরের বিরুদ্ধে দাফন না করার অভিযোগ গোয়ালন্দে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’-এর শুভ উদ্বোধন গোয়ালন্দে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, কেন্দ্র পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজবাড়ী সদর খাদ্য গুদামের সামনে ময়লার ভাগাড়ে কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার গোয়ালন্দে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় ৬ আসামির জামিন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ গোয়ালন্দে সরকারি খালের ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত পাংশার দক্ষিণাঞ্চলে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির দাবিতে মানববন্ধন গোয়ালন্দে ৪৮ পুরিয়া হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ৭০ পুরিয়া হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

গোয়ালন্দে ২৬তম বার্ষিকী রাসেল মিলনমেলা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্টার / ৪০২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১

0Shares

গোয়ালন্দ দক্ষিণ দৌলতদিয়া ৮নং ওয়ার্ডে অবসরপ্রাপ্ত রহিম বিডিআর এর বাড়িতে অত্যান্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে ৫দিন ব্যাপি ২৬তম বার্ষিকী রাসেল মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি রবিবার হতে ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, মেলার প্রথম দিন মানিকগঞ্জ থেকে শিল্পী নাসিমা দেওয়ান ও মনির সরকার বিচার গান পরিবেশন করেন। দ্বিতীয় দিন মাগুরা হতে শিল্পী পরিমল সরকার ও গৌর সরকার কবিগান পরিবেশন করেন। তৃতীয় দিন খানখাপুরের ভাই ভাই শিল্পগোষ্ঠী গাজীর যাত্রা(কহজ্জল বাদশা) পরিবেশন করেন। মেলার চতুৃর্থ দিন রাতে মানিকগঞ্জ রাজলক্ষ্মী অপেরা পরিবেশন করেন শহীদ কারবালা এবং শেষ রজনীতে একই শিল্পগোষ্ঠী পরিবেশন করেন যাত্রাপালা রহিম রুপবান। দুটি পালাই পরিচালনা করেন আসলাম উদ্দিন বেগ।

মেলায় নাগরদোলা, কাঠের বেলনা,সারপাট,ব্যাট, স্ট্যান, পিঁড়ি,বাচ্চাদের বিভিন্ন প্রকার খেলনা সামগ্রীর দোকান দেখা যায়। মেলায় কসমেটিকস সামগ্রী ও নানা প্রকার খাবারের দোকানপাট এবং চা পান সিগারেটের অস্থায়ী দোকানপাটে বেশ কেনাবেচাও লক্ষ্য করা যায়।

একান্ত গল্পচ্ছলে অবসরপ্রাপ্ত রহিম বিডিআর বলেন, আমার প্রয়াত সন্তান রাসেলের নামেই এই মেলাটি আমি ২৬ বছর ধরে পরিচালনা করে আসছি। আমার এই মেলাতে বিগত দিনে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বরসহ অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এসেছেন, অনেকেই কাছেই আমার মেলার উন্নয়নের জন্য সাহায্যের কথা বলেছি কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, আমাকে কেউ কোন অর্থনৈতিক সাপোর্ট দেয়নি, এমন কি মেলার জন্য বাইরের লোকদের জন্য একটি পানির টিউবওয়েল চেয়েও পাইনি।

গ্রামের কর্মক্লান্ত খেটে খাওয়া মানুষ সারাদিন মাঠেঘাটে পরিশ্রম করে, সংসারের যাতাকলে পড়ে তারা হাঁপিয়ে ওঠেন, তাদের মনে একটু আনন্দ বিনোদন দিতে এবং আমার প্রয়াত সন্তানের স্মৃতি রক্ষার্থে মূলত আমি এই মেলার আয়োজন করি। মেলাতে শত শত লোকের ভীড়ে আমি আমার হারানো সন্তানকে খুঁজে পাই। তিনি আরও বলেন, যে আমার কিছু আত্মীয় স্বজনের সাহায্যে নিয়ে আমি এই মেলাটি পরিবেশন করি।মেলার জন্য আমি কিছু জমিও লিখে দিয়েছি , কিন্তু মেলার জন্য স্থায়ী কোন স্টেজ করতে পারিনি এখনো। বাইরে থেকে যেসকল শিল্পী অসেন তাদের থাকা খাওয়া, সম্মানি খরচ, লাইটিং বা ডেকোরেশন খরচ ৫দিনে প্রতি বছর প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা খরচ হয়। আল্লাহু দয়াময় যতদিন আমাকে বাঁচিয়ে রাখবেন, আমি ততদিন এভাবেই মেলা চালিয়ে যাব।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg