শিরোনাম
গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজে এইচএসসি নবীনদের বরণ রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় মিলনের যাবজ্জীবন পাংশায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পূজা কমিটির নেতাদের সঙ্গে ওসির মতবিনিময় গোয়ালন্দে শিশু ধর্ষণচেষ্টার মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোয়ালন্দে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রাজবাড়ীর নতুন পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন নামজারি ফি ১,১৭০ টাকা, গোয়ালন্দে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলেই এসিল্যান্ডকে জানানোর আহ্বান রাজবাড়ীতে মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদর ইউএনও নিরুপমা রায়ের বিদায় বার্তা, পদ্মাকন্যা রাজবাড়ী হৃদয়ে থাকবে

গোয়ালন্দে প্রবাসী পরিবারকে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার / ২১১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

0Shares

 

স্টাফ রিপোর্টার,রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দুবাই প্রবাসী মোঃ শাহিন সরদার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গোয়ালন্দ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রবাসী মোঃ শাহিন সরদার। এসময় তার মা বেবী আক্তার, স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও ছেলে রোহান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

শাহিন সরদার গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়ছের মাতুব্বর পাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সরদারের পুত্র।

লিখিত বক্তব্যে শাহিন সরদার বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থেকে সুনামের সঙ্গে পরিবহন ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি গোয়ালন্দ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জুড়ান মোল্লা পাড়ার বাসিন্দা ও কথিত পুলিশের সোর্স পরিচয়ধারী আব্দুর রশিদ শেখের স্ত্রী মুনিয়া বেগম তার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, শাহিন সরদার তার ছেলে রোহিত মাহমুদ (মুন্না)-এর মাধ্যমে ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। মুনিয়ার দাবি, তার ছেলে দুবাইয়ে অবৈধ নাগরিক হিসেবে গ্রেপ্তার হয় এবং শাহিন সরদার তাকে মুক্ত করার নামে টাকা নেন।

তবে শাহিন সরদার সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি জানান, মুনিয়ার ছেলে অবৈধ নাগরিক নয়, বরং ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও আইসসহ দুবাই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। বর্তমানে সে এখনো দুবাইয়ে আছে এবং ২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত তার বৈধ থাকার অনুমতি রয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রমাণপত্র আমার কাছে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি এলাকাবাসীর অনুরোধে মানবিক কারণে তার ছেলেকে মুক্ত করার জন্য চেষ্টা করি এবং এতে সফলও হই। এ জন্য আমি নিজেই প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করি, কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি। পরে তারা সেই টাকা ফেরত না দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমার ও আমার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শাহিন সরদার অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রচারেরও প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg