শিরোনাম
রাজবাড়ীতে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার গোয়ালন্দে সাবেক বিএনপি নেতাদের স্বাক্ষরে বহিষ্কারাদেশ, প্রশ্নের মুখে সাবেক নেতারা গোয়ালন্দে ১২৮ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে ডিবির অভিযান: ১০০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার ১ গোয়ালন্দে স্বপ্ন কুড়ির উদ্যোগে সেরা তিন পুত্রবধূকে সম্মাননা গোয়ালন্দ ভূমি অফিসের চুরির মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় ব্যাহত ভূমি সেবা গোয়ালন্দে সন্ত্রাসী হামলায় মুমূর্ষু যুবক, আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার গ্রেপ্তার  বালিয়াকান্দিতে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৬০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ, মোবাইল কোর্টে জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পরিকল্পনা ছাড়াই গোয়ালন্দ আড়ৎপট্টিতে ড্রেন নির্মাণ, ভারি যান চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

কাজী ছালামের বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে পড়ানোসহ নানা অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ২২ নভেম্বর
নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার আইন অমান্য করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে পড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া, একই ভলিউম নাম্বার ব্যবহার করে একাধিক রেজিস্ট্রি বই ব্যবহার এবং ডেমি কাগজে ফটোকপি করে কাবিননামার সার্টিফাইড কপি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, প্রত্যেক নিকাহ রেজিস্ট্ররের জন্য নিজ নিজ অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করা থাকলেও কাজী আব্দুস ছালাম তার নিজ এলাকা বাদ দিয়ে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে একাধিক সহকারি নিয়োগ দিয়ে মানিকগঞ্জ আদালত চত্ত্বর ও জেলা আইনজীবি ভবন এলাকায় কিছু আইনজীবি ও আইনজীবি সহকারিদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাল্যবিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। এ নিয়ে অনুসন্ধানের সময় কাজী আব্দুস ছালাম স্বাক্ষরিত একটি নিকাহ রেজিস্ট্রির ফি প্রাপ্তির রশিদের কপি, কনের জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি এবং আইন বর্হিভূতভাবে ডেমি কাগজে কাবিননামার ফটোকপি করার একটি ভিডিও আসে এই প্রতিবেদকের হাতে। প্রাপ্ত রশিদের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা আইনজীবি ভবন এলাকায় একটি বাল্যবিয়ে রিজিস্ট্র করেন কাজী আব্দুস ছালাম। যার ভলিউম নং- ১০/২২, পৃষ্ঠা- ২৫, মোহরানার পরিমাণ- ২ লক্ষ টাকা এবং ফি প্রাপ্তির রশিদের ক্রমিক নং-২০। এছাড়া ঢাকার ধামরাই উপজেলার বেংরোয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই কনের জন্ম নিবন্ধন সনদে জন্ম তারিখ দেয়া আছে ২০০৮ সালের ২রা নভেম্বর।
ওই কনের পরিবারের লোকজন জানান, মানিকগঞ্জ কোর্ট এলাকায় কাজী ছালামের কাছে গিয়ে বিবাহ পড়ানো হয়েছে। তিনি বিবাহের ডকুমেন্ট হিসেবে একটি রশিদ দিয়েছে।
কাজী আব্দুস ছালাম বলেন, ওই বিবাহ রেজিস্ট্রির ফি প্রাপ্তির রশিদটি তিনি প্রদান করেননি। এক নামে একাধিক ভলিউম অন্য কাজীদের থাকতে পারে, আমার নেই। আমি কোন বাল্যবিয়ে রেজিস্ট্রি করিনি।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার জেড এম ইমরান আলী বলেন, একজন কাজী একই নাম্বারে একাধিক ভলিউম বই ব্যবহার করতে পারেন না এবং ডেমি কাগজে ফটোকপি করে কাবিননামার সার্টিফাইড কপি দেয়ার সুযোগও নেই। আর বাল্যবিয়ে পড়ানোর বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে মানিকগঞ্জ সদর উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতিশ্বর পাল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg