শিরোনাম
রাজবাড়ীতে স্বাধীনতা প্রকল্পের হাফ-ডে অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত গোয়ালন্দে ১০৫০ পুরিয়া হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি সফিকুল ইসলামের রাজবাড়ীতে নানা আয়োজনে এনটিভির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাজবাড়ীতে নবজাতকের মরদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য, মামা শ্বশুরের বিরুদ্ধে দাফন না করার অভিযোগ গোয়ালন্দে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’-এর শুভ উদ্বোধন গোয়ালন্দে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, কেন্দ্র পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজবাড়ী সদর খাদ্য গুদামের সামনে ময়লার ভাগাড়ে কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

মানিকগঞ্জে সমিতির নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৮০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ০২ ফেব্রুয়ারী
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকদের নিকট হতে অল্প সঞ্চয়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দৃষ্টি সমবায় সমিতি, পল্লীসেবা সমবায় সমিতি, জন উন্নয়ন সমবায় সমিতি ও নিউ দৃষ্টি সমবায় সমিতি। অথচ এসব এনজিও’র বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছেনা কোন আইনগত ব্যবস্থা।
জানা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সোলাইমান বিশ্বাস  ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাস উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে সমবায় সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে সমবায় সমিতির আইন অমান্য করে অধিক মুুনাফার লোভ দেখিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঋণদানের নামে দরিদ্র, সহজ-সরল ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অবৈধভাবে আমানত সংগ্রহ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যা সমবায় সমিতির আইন বর্হিভূত।
স্থানীয়রা জানান, সোলাইমান বিশ^াস ২০১০ সালে ছায়াগ্রাম নামের একটি সমবায় সমিতি ভাড়া নিয়ে এনজিও ব্যবসা শুরু করেন। এরপরে সোলাইমান বিশ্বাস  নিজে এবং ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাসের নামে বেনামে উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে ৪টি সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচির নামে গড়ে তুলেছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। স্থানীয় খেটে খাওয়া মানুষ তাদের শেষ সম্বলটুকু এ সমিতিতে গচ্ছিত রাখছেন আর গ্রাহকদের সেই অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সোলাইমান বিশ^াস ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাস এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি(এমআরএ) সনদ ছাড়াই সোলাইমান ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল সমবায় সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের মধুরচর এলাকায় দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, বায়রা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া এলাকায় জন উন্নয়ন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, জয়মন্টপ এলাকায় পল্লীসেবা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি ও চান্দহর ইউনিয়নের বাঘুলী এলাকায় নিউ দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন মেয়াদে ফিক্সড ডিপোজিট, ডিপিএসের নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
গত ১০ বছর যাবৎ এসব সমবায় সমিতির নামে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও লাগাম টেনে ধরতে পারছে না সমবায় কর্মকর্তারা। সমবায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সোলাইমান ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ সমবায় কর্মকর্তারা এর কোন খোজ খবর রাখছে না। রেজিষ্টেশন দিয়েই দায়সাড়া সমবায় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি, পল্লীসেবা, জন উন্নয়ন ও নিউ দৃষ্টি সমবায় সমিতির পরিচালক মোঃ বাহালুল বলেন, এমআরএ সনদের জন্য আবেদনের চিন্তাভাবনা করেছি। করোনার কারণে এখনো আবেদন করা সম্ভব হয়নি। আমার এবং আমার বাবার কষ্টের টাকায় এই সমিতিগুলো পরিচালনা করি। আমরা অবৈধভাবে এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করিনা।
এ ব্যাপারে জেলা সমবায় কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন, যদি এসব সমবায় সমিতি ব্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg