শিরোনাম
রাজবাড়ীতে মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদর ইউএনও নিরুপমা রায়ের বিদায় বার্তা, পদ্মাকন্যা রাজবাড়ী হৃদয়ে থাকবে গোয়ালন্দে ওজন স্কেলে অভিযান: অতিরিক্ত ওজনের ৫ পরিবহনকে জরিমানা বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ, বাঁশের বেড়ায় ৪ পরিবার অবরুদ্ধ দৌলতদিয়ায় বাসে অগ্নিকাণ্ডের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত নতুন কমিটিতে সভাপ রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ দৌলতদিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন, অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ডেঙ্গুর বিপদচিহ্ন চিহ্নিত করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন

ইউএনও কে কুপিয়ে জখম, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হচ্ছে

Lutfor Rahman / ৬৪৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

0Shares

সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হচ্ছে।বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ৩টার দিকে ইউএনও’র সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে দুষ্কৃতিকারীরা। গুরুতর অবস্থায় তাদের প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়। তার বাবাকে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, তার মাথার বাম পাশে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাম হাত ও পা কোনো রকম সাড়া দিচ্ছে না। হাসপাতালের চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঘোড়াঘাট থানার ওসি এ তথ্য জানিয়েছেন।ওয়াহিদা খানমের বাবার নাম ওমর আলী। নওগাঁ থেকে মাঝে মাঝে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মুক্তিযোদ্ধা বাবা ওমর আলী। ওয়াহিদা খানমের স্বামী মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তাদের তিন বছর বয়সের ছেলে শিশু সন্তান রয়েছে। হামলার সময় শিশুটি ঘুমন্ত ছিল। বর্তমানে সে ভালো আছে।দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম জানান, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে ঘরের ভেন্টিলেটর দিয়ে এক যুবক প্রবেশ করে। প্রথমে ওই যুবক তার বাবাকে আহত করে পাশের ঘরে বাথরুমে আটকে রাখে। পরে ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়িভাবে তাকেও হাতুড়ি পেটা ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

মূলত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা জেলা প্রশাসকের। ঘটনার পর জেলা প্রশাসকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা-ওসি আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে নির্বাহী কর্মকতার সরকারি বাসভবনের ২য় তলায় বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে। ঘটনাস্থলের নিচে একটি মই পাওয়া গেছে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, প্রথমে নির্বাহী কর্মকর্তার বাবাকে আহত করে বাথরুমে আটকিয়ে রাখে। এরপর নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। বাসভবনের নাইট গার্ডকে তালা দিয়ে আটকিয়ে রাখে। কাজের মেয়েও নিচে ছিল। দুষ্কৃতিকারীরা ১/২ জন থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। এটি কোনো ডাকাতি ছিল না, সম্ভবত হত্যার উদ্দেশেই এই হামলা হয়েছে বলে মনে করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg