শিরোনাম
গোয়ালন্দে চার প্রতিবন্ধীর পাশে ইউএনও সাথী দাস সংবাদ প্রকাশের পরই দ্রুত পদক্ষেপ রাজবাড়ীর পাংশায় মাদকবিরোধী অভিযান: তিনজন গ্রেফতার, জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা গোয়ালন্দে র‌্যাব-১০ এর সফল অভিযান, ২০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ মহান মে দিবসে গোয়ালন্দে শ্রমিক দলের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গোয়ালন্দে একই পরিবারের চারজন প্রতিবন্ধী, জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন গোয়ালন্দ ঘাট থানার পাশে জুয়েলার্সে চুরি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ গোয়ালন্দে দুই স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, অটোরিকশা চালক গ্রেফতার স্ট মেয়েকে নিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, আহত কন্যা রাজবাড়ীতে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বগুড়া পুলিশের মানবিকতায় মাদক ব্যবসায়ী হাফিজুর এখন মুদি দোকানী

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

0Shares

মানবিক পুলিশ অফিসার বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমানের মানবতা এবং প্রচেষ্টায় একজন মাদক ব্যাবসায়ী এখন সমাজের সৎ ব্যবসায়ী। সিনেমা নয় বাস্তবেই ঘটেছে এমন ঘটনা বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলায়।ঘটনাটি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার বেড়াগ্রাম বাজারের মৃত তাছির মন্ডলের ছেলে বাবলু মন্ডল, মাদক জগতের কালো নাম বনো বাবু। রাত দিন যার কর্ম ছিলো মাদক সেবন ও বিক্রয়। পুলিশের তাড়ায় ঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকা, আবার কখনো জেলে। তবুও দমিয়ে রাখতে পারতো না কেউ। একাধিক মামলা ভার কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়েও কোন লাভ না হওয়ায় অবশেষে পুলিশ অফিসারের ভালবাসায় ও সার্বিক সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনের ফিরতে মাদককারবারী ছেড়ে মুদি দোকানী হয়েছেন তিনি। বনো বাবু বলেন, আমি খারাপ বন্ধুদের সাথে সঙ্গ দিয়ে প্রথমে মাদক সেবন এবং ব্যবসার সাথে জড়িত হয়েছি।

বিগত জীবনে ভুল করেছি । মাদক আমার পুরো পরিবার ধ্বংস করে দিয়েছে। আমার স্কুল পড়–য়া ছেলে মেয়ের নিষেধ অন্যদিকে থানার হাফিজ স্যারের ভালবাসায় আমি আমার জীবনে আলোর সন্ধান পেয়েছি। কর্ম হিসেবে অনেক কিছু ভেবেও কোন কাজ কর্ম না পাওয়ায় হাফিজ স্যার আমাকে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেড়াগ্রাম বাজারে এই মুদির দোকান ও দোকানের মালামালের ব্যবস্থা করে দেন। প্রতিদিন এই দোকান থেকে আড়াইশত টাকা থেকে তিনশত টাকা লাভ হয়, যেটা দিয়ে আমি আমার স্কুল পড়–য়া ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার খরচ সহ সংসার চালাই। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর আমার এই ছোট মুদির দোকান নিয়ে আমি ব্যস্ত থাকতে চাই। তবে তিনি অন্য মাদক সেবক ও কারবারীদের আলোর পথে এসে শান্তিপূর্ন ভাবে জীবন যাপন করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

দুপচাঁচিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান বলেন, আমি শুধুমাত্র আমার দায়িত্ব পালন করেছি, আমি মনে করি বাংলাদেশ পুলিশ মানুষের কল্যানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পুলিশ ডিপার্টমেন্টের আদর্শ বুকে ধারণ করে মানুষকে আলোর পথ দেখাবো এটাই আমার প্রত্যাশা। দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, হাফিজুর রহমান যে ভালো কাজটি করেছে তা অবশ্যই প্রশংসিত, তবে বনো বাবুর মতো যে কোন মাদক সেবনকারী ও মাদককারবারীকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে আমরা থানা পুলিশের পক্ষথেকে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আইন মান্যকারীদের ধরতে এবং আইনের আওতায় আনতে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg