শিরোনাম
পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে গোয়ালন্দে ফের নদীভাঙন, ঝুঁকিতে শতাধিক বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রাজবাড়ীর পাংশায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধে চা দোকানিকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ২ গোয়ালন্দে আব্দুল হালিম মিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গোয়ালন্দে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল অটোরিকশা, রান্নাঘর ও দুটি ছাগল গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তি, ডাক্তার সংকট ও কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে বেহাল দশা অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের পথে রাজবাড়ী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল কালুখালীতে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোনসহ ধরা, বহিষ্কার ৫ পরীক্ষার্থী বালিয়াকান্দিতে গাঁজা গাছসহ কথিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার তৃষ্ণার্ত ট্রেনযাত্রীদের পাশে মানবতার ফেরিওয়ালা মুন্নু শেখ, সম্মাননা দিল কালুখালী উপজেলা প্রশাসন

পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে গোয়ালন্দে ফের নদীভাঙন, ঝুঁকিতে শতাধিক বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

স্টাফ রিপোর্টার / ৩১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার,পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ও দেবগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে অন্তরের মোড় এলাকা থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেপারীপাড়া এবং ৩ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় ইতোমধ্যে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া, নাসির সরদারপাড়া, মুন্সি বাজার ও কাউলজানি এলাকাতেও ভাঙনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নেয়। এতে বসতভিটা, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এবারও পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় তারা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি বসতবাড়ি, একটি কবরস্থান, একটি মসজিদ এবং ৪ থেকে ৫টি গ্রামের প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি পরিবার। এসব এলাকায় আনুমানিক ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কার্যকর নদী তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ, জিওব্যাগ ফেলা এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চলমান বর্ষা মৌসুমেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়বে পুরো এলাকা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg