শিরোনাম
রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের রাজবাড়ীতে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৮ আসামি গ্রেপ্তার কালুখালীতে কৃষক হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন শেখ গ্রেপ্তার পরকীয়ার অভিযোগে ভাঙল ২৪ বছরের সংসার, নিঃসঙ্গ রফিকের দিন কাটে হতাশায় কালুখালীতে ঢাকা শিশু সংসদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ গোয়ালন্দে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান গোয়ালন্দে কৃষক-কৃষাণিদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৮ আসামি গ্রেপ্তার দৌলতদিয়া পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার সড়ক নিরাপত্তায় গোয়ালন্দ মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে গোয়ালন্দে ফের নদীভাঙন, ঝুঁকিতে শতাধিক বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

0Shares

স্টাফ রিপোর্টার,পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ও দেবগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে অন্তরের মোড় এলাকা থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেপারীপাড়া এবং ৩ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় ইতোমধ্যে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া, নাসির সরদারপাড়া, মুন্সি বাজার ও কাউলজানি এলাকাতেও ভাঙনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নেয়। এতে বসতভিটা, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এবারও পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় তারা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি বসতবাড়ি, একটি কবরস্থান, একটি মসজিদ এবং ৪ থেকে ৫টি গ্রামের প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি পরিবার। এসব এলাকায় আনুমানিক ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কার্যকর নদী তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ, জিওব্যাগ ফেলা এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চলমান বর্ষা মৌসুমেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়বে পুরো এলাকা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg