শিরোনাম
শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে

দৌলতদিয়া আবাসিক বোডিংয়ের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ –

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৮৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১

0Shares

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাজার এলাকায় নামে বেনামে অবৈধ আবাসিক বোডিং গুলোতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা।

জানাগেছে, দৌলতদিয়া বাজার এলাকায় নামে বেনামে যে সকল অবৈধ আবাসিক বোডিং গড়ে উঠেছে সে সকল বোডিং গুলোতে রাতে চলে রমরমা দেহ ব্যবসা। এ বোডিংগুলো কিছু স্থানীয় দালাল টাইপের লোক দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। রাতে প্রতিটি বোডিংয়ে দুই থেকে তিনজন করে মহিলা থাকে তাদের কাজ দেহ ব্যবসা করা আর লোক পটানো ।

পতিতালয়ের মত মহিলা আবাসিক বোডিংগুলোতে ছোট ছোট মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করাচ্ছেন। কারন ছোট মেয়েদের কাস্টমাররা বেশি পছন্দ করে আর বেশি টাকা দিয়ে থাকে। যে মহিলাদের বয়স এতটু বেশি তারা প্রতি রাতে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা ইনকাম করে আর যে সকল মেয়েদের অল্প বয়স তাদের প্রতি রাতে ইনকাম ৫ থেকে ১০ হাজার।

মেয়েরা দেহ ব্যবসা করে যে টাকা উপার্জন করে তার অর্ধেক টাকা আবাসিক বোডিং মালিকেরা নিয়ে নেয়।
আবার রাতে বোডিং মালিকেরা ফোনের মাধ্যমে কন্টাক করে বিভিন্ন এলাকা থেকে অল্প বয়সের মেয়েদের নিয়ে আসে তারা সারা রাত বোডিংয়ে থেকে ভোর বেলা বেরিয়ে যায়।

বাজার মুখী অবৈধ আবাসিক বোডিংগুলোতে রমরমা দেহ ব্যবসা করায় ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হচ্ছে বাজারের পরিবেশ। বাজারের পরিবেশ সুন্দর ভাবে বজায় রাখতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ চান সকল ব্যবসায়ীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আবাসিক বোডিংয়ের দেহ ব্যবসায়ী তিনি বলেন, আগে আমরা সন্ধার পর থেকে বোডিংয়ে ঢুকতাম আর এখন রাত ৯টার পর ঢুকি। আমরা যত টাকা ইনকাম করবো তার অর্ধেক টাকা বোডিং মালিকের দিয়ে বাদবাকী টাকা নিয়ে সকালে চলে আসি।

দৌলতদিয়া বোডিং সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম ফকির বলেন, বাজারে পাশে হাতে গনা কয়েকটি বোডিংয়ে অবৈধ কার্যকালাপ করে থাকে এর জন্য আমি অনেক বার বোডিং মালিকদের নিষেধ করেছি। নিষেধ করার পরও তারা বোডিংয়ে দেহ ব্যবসা করে যাচ্ছে। এখন তাদের সমিতি থেকে বাদ দিয়া দেব।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর বলেন, পতিতালয় কাছে থাকতে ঐখানে আবার দেহ ব্যবসা চলবে কেনো? যেহেতু পতিতালয়ের যাবার সুযোগ আছে। আমি এব্যাপারে কোন অভিযোগ পাইনি। তবে এখন নিজে থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg