শিরোনাম
দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নতুন পোশাক পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা

রাজবাড়ীর কালুখালীতে ২০০ বছর পুরোনো মহাশ্মশান নদী ভাঙনের কবলে

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৫৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

0Shares

বিশেষ প্রতিনিধি

নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে সনাতন ধর্মালম্বীদের মহাশ্মশান। ইতোপূর্বে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অগণিত মানুষের সমাধী। অতি দ্রুত ভাঙন রোধ করার দাবি ২৩ গ্রামের মানুষের।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের বি-কয়া গ্রামে গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত এই শ্মশান। বি-কয়া সর্বজনীন মহাশ্মশান নামে পরিচিত। আনুমানিক প্রায় দুই শত বছরের পূর্বে স্থাপিত এই শ্মশানটি। সর্বশেষ ২০১৬ সালে শ্মশানটি সংস্কার করা হয়েছে। এখানে ২৩ গ্রামের সনাতন ধর্মালম্বীদের চিতা জালানো হয় এবং সমাধী করা হয়। ইতোপূর্বে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অগণিত মানুষের সমাধী। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ও নদীতে তীব্র  স্রোত থাকায় শ্মশানে ভাঙন ধরেছে। হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্য। অতি দ্রুত সংস্কারের স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়রা জানান, আমাদের এই শ্মশানে ২৩টি গ্রামের মানুষের সৎকার কাজ করা হয় এবং চিতা জালানো হয়। যে সমস্ত জায়গা মাটি দিয়ে বাঁধাই করা হয়েছিল সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। একটি চিতাও বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনে আমরা চরম দুর্ভোগে পড়েছি।

উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম (আলী) বলেন, ‘এলাকার বৃদ্ধদের কাছে শুনেছি প্রায় দুইশত বছর আগে এই শ্মশানটি স্থাপিত হয়েছিল। এর আগেও নদীগর্ভে শ্মশানের বেশ কিছু অংশ ভেঙে গেছে। প্রায় প্রতি বছরই ভাঙে। ভাঙন রোধে দুই বছর আগে কিছু জিওব্যাগের কাজ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে শ্মশানটির উন্নয় কাজ করা হয়েছে। অতি দ্রুত ভাঙন রোধ করা না হলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে শ্মশানটি। জিওব্যাগ দিয়ে কোনোভাবেই ভাঙন রোধ করা সম্ভব না। শুধু শুধু সরকারের টাকা অপচয়। ব্লক দিয়ে নদীতে বাঁধ দেওয়া হলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (পাউবো) আহাদ হোসেন জানান, গত বছর জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করা হলেও আশানুরূপ হয়নি। জিওব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধ করা সম্ভব হবে না। তবে বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। সরেজমিন প্রদক্ষিণ করে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg