রাজবাড়ীতে নির্মাণাধীন স্থায়ী বাঁধের কাজে গাফলতি থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

0Shares

রাজবাড়ী থেকে সুজন বিষ্ণুঃ পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, রাজবাড়ীর পদ্মা নদী তীরের কাজ টেকশই ভাবে যাতে করা হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। তাছাড়া নির্মাণের পর পরই কেন কি কারণে ভাঙ্গন হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে। এই কাজে কারো অবেহলা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনেক ক্ষেত্রে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। যে কারণে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে ডিজাইনার প্রধানকে রাজবাড়ীতে পাঠানো হয়েছিল। কাজের গুনগত মান ঠিক রাখার লক্ষ্যে কাজ করছেন। কাজের জন্য এখন ডিজাইনের পরিবর্তন প্রয়োজন হলে সেটাও দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।’

সোমবার বিকেলে রাজবাড়ী শহর রক্ষায় পদ্মা নদীর তীর স্থায়ী সংরক্ষন এলাকায় ভাঙ্গন কবলিত স্থান গুলো পরিদর্শন করে একথা বলেন উপমন্ত্রী

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী, মহিলা আসনের এমপি এ্যাডঃ খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, ফরিদপুরের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সালমা চৌধুরী রুমা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক ফজলুর রশিদ, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম, পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী, রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলমগীর শেখ তিতু, রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আহাদসহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত রাজবাড়ী পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ডান তীর প্রতিরক্ষার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের গোদার বাজার এলাকার চলমান কাজের কয়েকটি স্থানের প্রায় আড়াইশ মিটার পিচিং করা ব্লক ধসে যায়। এখন কোথাও কোথাও বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ থেকে নদীর দূরত্ব ২০ থেকে ২৫ মিটার। ২০১৯ সালের জুলাইতে ৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি প্যাকেজে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg