শিরোনাম
শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে

অনিয়ম-দুর্নীতির বেড়াজালে প্রধান শিক্ষক

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৮৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

0Shares

সাইফুল ইসলাম  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গত ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল উপজেলার ৭৮নং দৌলতপুর-২ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন দেলোয়ারা বেগম। এরপর থেকেই তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে।
২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ের স্লিপ কার্যক্রমের জন্য ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের ৭০ হাজার টাকা থেকে ১৪ হাজার টাকা দিয়ে স্টীলের আলমারি ক্রয় করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের ভাউচার এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের ভাউচারে বার বার একই মালামাল দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করেছে। বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার, দেয়াল অঙ্কন, মেরামতের নামে দফায় দফায় হাতিয়ে নিয়েছে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চলতি বছরের ১৫ জুন তারিখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারা বেগমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করেন।
এ ব্যাপারে দৌলতপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারা বেগম বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত ৭০ হাজার টাকার থেকে কোন অনিয়ম হয়নি। আলমারি ক্রয় করা যাবেনা সেটা আমার জানা ছিলনা। নতুন নতুন প্রধান শিক্ষক হওয়ায় ভূল হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু কর্ণার আমি দুইবারই করেছি। আপনি স্ব-শরীরে আমার বিদ্যালয়ে এসে সব ভাউচার দেখতে পারেন।
তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের পক্ষে সাফাই গেয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনজুরুল হক বুলবুল বলেন, আমার জানা মতে তিনি কোন অনিয়ম করেননি। স্লিপ কার্যক্রমের টাকা দিয়ে আলমারি ক্রয় করা যাবেনা সেটা উনি জানতেন না। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত টাকার ব্যয়ের খাতায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষর করেছেন। তাহলে প্রধান শিক্ষক অনিয়ম করলো কোথায়?
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ওই বিদ্যালয়ে আমি পরিদর্শন করেছি। বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে। অনিয়মের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শাণোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg