শিরোনাম
শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে

বাবা দিবস কেমন করে এলো

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১২৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

0Shares

আমরা ‘বাবা দিবস’ পালন করি ঠিকই, তবে এর পিছনের ইতিহাসটুকু জানি না।
আসুন, “আজ ‘বাবা দিবস’র ইতিহাসটুকু একটু জানি..!”

যদিও জুন মাসের তৃতীয় রবিবার এই দিবসটি পালন করা হয়, তবে বিশ্বের অনেক দেশে ১৯/২০/২১ জুনও ‘বাবা দিবস’ পালন করা হয়..।
বাবার প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান আর ভালবাসা দেখিয়ে সন্তানেরা এই দিবসটি পালন করে আসছে।
‘মা দিবস’ পালিত হয়েছিলো ১৮৬০ সালে, সেই তুলনায় ‘বাবা দিবস’ পালনের বয়স কমই বলা যায়।
আমেরিকাতে ‘মা দিবস’কে, জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালন করা শুরু হয় ১৯১৪ সাল থেকে।

‘বাবা দিবস’র ইতিহাসটা আনন্দের না বরং বেদনারই, এবং এর পিছনে আছে একটি মেয়ের সংগ্রামের গল্প..!
১৯০৯ সালে ‘সনোরা স্মার্ট ডড’ নামের এক মেয়ে ‘বাবা দিবস’র স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হয়ে উঠেন।
তার বাবা ‘উইলিয়াম স্মার্ট’ ছিলেন গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের একজন সৈনিক। ষষ্ঠ সন্তান জন্ম দেয়ার সময় উইলিয়ামের স্ত্রী মারা যান।
শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে থেকেও ‘উইলিয়াম’ একাই ছয় সন্তানকে লালন-পালন করেন..!
‘ডড’ তার সিঙ্গেল বাবাকে অসম্ভব ভালবাসতেন।
বাবার এই ত্যাগ দেখে ‘ডড’ এর মনে হল, “মা দিবস’র এতো আয়োজন থাকলে ‘বাবা দিবস’র নয় কেন..?” অনেক চেষ্টা চরিত্র করে দীর্ঘ একবছরের সাধনায় স্থানীয় কমিউনিটি গুলোতে ‘বাবা দিবস’ পালন করতে পারেন ‘ডড’।

১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথম বারের মতো পালিত হয় ‘বাবা দিবস’..!
শুরুটা ওয়াশিংটনে হলেও ধীরে ধীরে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।
আস্তে আস্তে ‘মা দিবস’র পাশাপাশি ‘বাবা দিবস’ এর প্রতি সচেতন হতে থাকেন সন্তানেরা। দীর্ঘ ছয় দশকের পরে পাওয়া যায় ‘বাবা দিবস’ এর স্বীকৃতি।
১৯৭২ সালে তখনকার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ‘নিক্সন’ একটি আইনে স্বাক্ষর করে ‘বাবা দিবস’কে জাতীয় মর্যাদা দেন..!

ইতিহাস না জানলে, জানাই হতো না ‘বাবা দিবস’কে স্বীকৃতি দেয়ার সংগ্রাম করেছে, বাবার ত্যাগ ও সম্মানকে ভালবাসা ‘ডড’ নামের একজন মেয়ে..!
সন্তানদের ভালবাসায় বেঁচে থাকুক সকল বাবা, ‘শুভ বাবা দিবস’
লেখক, আনজুম রুহি।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg