শিরোনাম
এক ঘণ্টার জন্য গোয়ালন্দ উপজেলার ইউএনও হলেন বাবলী- শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ

প্রকাশ্যে গুলি করে তিন জনকে হত্যা

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৮২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১

0Shares

কুষ্টিয়া শহরে প্রকাশ্যে তিনজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সৌমেনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ জুন) বেলা সোয়া ১১টার দিকে শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের কাস্টমস মোড় এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- শাকিল (২৮), আসমা (২৫) এবং রবিন (৫)। তাদের মধ্যে শাকিল বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস অফিসার পদে (ডিএসও) চাকরি করতেন। শাকিল কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের শাওতা গ্রামের মেসবাহ আলীর ছেলে। আসমার বাড়ি কুমারখালী উপজেলায়। রবিন আসমার ছেলে। তারা এএসআই সৌমেনের স্ত্রী ও সন্তান।

আটক সৌমেন খুলনার ফুলতলা থানায় সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

শাকিলের সহকর্মী জাফর বলেন, শাকিলের বাড়ি ও আমার বাড়ি কুমারখালীর শাওতা গ্রামে। সকালে অফিস থেকে বের হয়ে আমরা মার্কেটে যাই। তারপর জানতে পারি শাকিল খুন হয়েছে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সোয়া ১১টার দিকে শহরের কাস্টমস মোড় এলাকায় প্রকাশ্যে শাকিল, আসমা এবং রবিনকে গুলি করে সৌমেন। এ সময় স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীরা তাকে আটক করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাকিল ও রবিন মারা যান। এবং ঘটনাস্থলে মারা যান আসমা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং অভিযুক্ত সৌমেনকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেন। নিহতদের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাকিলের সঙ্গে আসমার অনৈতিক সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় সৌমেন এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বলেন, আসমাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্তকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করা হয়েছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg