গোয়ালন্দের ছেলে রুবেল কে বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন”তার-কিডনি প্রায়-দু’টিই-ড্যামেজ

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

0Shares

গোয়ালন্দে রুবেল নামে এক যুবকের একটি কিডনি ডেমেজ ও অন্য একটি কিডনি ড্যামেজের পথে।তার কিডনিতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয় । এ অবস্থায় তাঁকে নিয়ে পরিবারের লড়াইও চলছে। তারা অনেকটাই নিঃস্ব। চিকিৎসার ব্যয় বহন করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের এ অবস্থায় অসুস্থ রুবেল তাঁর চিকিৎসা নিয়ে চিন্তিত। বাঁচার আকুতি ঝরছে চোখে মুখে। এসব কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রুবেল সেখ (২৬)। বললেন, ‘আমি বাঁচতে চাই।’

গত ৬ মাসে তাঁর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারটির জায়গা-জমি বিক্রি করে সর্বস্বান্ত হয়েছে।

রুবেলের দুখিনী মা রকেয়া বেগম বলেন , তাঁর ছেলের দুটি কিডনি নষ্ট। আমার ছেলে যখন কিডনির ব্যথায় ছটফট করে তখন আমার বুক ফেটে চৌচির হয়ে যায়।আমার স্বামী একজন ফুটপাতের মাছ ব্যবসায়ী। তার রোজগার এই আমাদের কোনরকম সংসার চলে।আমাদের সংসারে অভাবের কারণে আমার এই ছেলেটি রুবেল দর্জির কাজ করতে ঢাকায় যায়।

ওইখান থেকে কিডনির পাশে ব্যথা হওয়ার কারণে সে ডাক্তার দেখায়। ল্যাবএইড সহ অনেক ভালো ভালো হাসপাতালে দেখানোর পর ডাক্তাররা ঘোষণা দেন এখন একটি কিডনি ড্যামেজ হয়েছে অন্য কিডনি ড্যামেজের পথে।

এই অবস্থায় রুবেলের জন্য প্রত্যেক মাসে অনেক টাকার ওষুধ লাগে।ডাক্তার বলেছে ডাইলোসিস শুরু করতে বা কিডনির জন্য ডোনার ঠিক করতে । কিন্তু আমাদের পক্ষে আর চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

রুবেলের চিকিৎসার কাগজপত্র ঘেঁটেও দেখা গেছে, তিনি ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত।

রুবেল শেখ ঢাকা শহরের বিভিন্ন টেইলার্সে দর্জির কাজ করা অবস্থায় একসময় তাঁর শরীর দুর্বল লাগতে শুরু করলে একদিন চিকিৎসকের কাছে গেলেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক বলে দিলেন, তাঁর এক কিডনিতে সমস্যা। এরপর ওষুধ খেতে লাগলেন। দর্জির কাজ চালাচ্ছেন । এভাবে কেটে যায় ১ বছর। গত কয়েক মাস ধরে তাঁর শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। চোখে ঝাপসা দেখতে থাকেন।

চিকিৎসক একদিন বলে দিলেন, দুটি কিডনিতেই বড় সমস্যা।সেখান থেকে বলা হলো, কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

রুবেল শেখ এর গ্রামের বাড়ি গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়ন এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের নতুন পাড়া গ্রামে। গত তিন বছর আগে বিয়ে করেন রুবেল। তাঁর ১ কন্যা সন্তান । বয়স ছয় মাস।কন্যাসন্তান সুমাইয়ার ধরে শুধু কাঁদছেন রুবেল। রুবেল এর কিছু হলে কন্যাসন্তানের উপায় কি হবে?

চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব পরিবারটি এখন চোখে অন্ধকার দেখছে। কীভাবে রুবেল কে বাঁচাবেন, তা নিয়ে রুবেলের পরিবার দিশেহারা।

কেউ গোয়ালন্দের ছেলে রুবেলের জন্য সাহায্য করতে চাইলে যোগাযোগ করুন তার পরিবারের সাথে এই নাম্বারে ঃ ০১৭২৫-১৩১৫৫১।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg