শিরোনাম
গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল

ভালদিমির: ‘রুশ গুপ্তচর‘ তিমির জন্য খোঁজা হচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৯০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

0Shares

বছর দুয়েক আগে নরওয়ের উপকূলের কাছে দেখা পাওয়া সাদা রঙের এক তিমি নিয়ে দারুণ রহস্য তৈরি হয়।

কারণ বেলুগা প্রজাতির ঐ তিমির গলায় ক্যামেরা এবং চিপ বসানো রুশ একটি বেল্ট পরানো ছিল। ধারণা জন্মে তিমিটি হয়তো সাগরে রাশিয়ার একটি গুপ্তচর।

কিন্তু কে কোন উদ্দেশ্যে তিমিটির গলায় বেল্ট পরিয়ে দিয়েছিল সেই রহস্যের কোনো কূলকিনারা গত দু বছরেও হয়নি।

প্রাণী অধিকার কর্মীরা এখন অবশ্য তিমিটির ভালোমন্দ, নিরাপদ আশ্রয় নিয়েই উদ্বিগ্ন।

আমেরিকান একজন চলচ্চিত্রকার এখন সাদা ঐ তিমিটির জন্য একটি অভয়াশ্রম তৈরি করতে তৎপর। নরওয়ে সরকারের সাহায্য চাইছেন তিনি।

ভালদিমিরের গায়ে প্যাচানো বেল্টের সাথে ছিল একটি ক্যামেরা এবং রাশিয়ায় তৈরি একটি ইলেকট্রনিক চিপ

একই ধরনের খবর:
বিশালাকার মৃত তিমি কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে
১৭ দিন পর মৃত শাবককে বিদায় জানালো তিমি
একযোগে শত শত তিমির মৃত্যুর কারণ কি ?
তিমিটি প্রথম চোখে পড়ে ২০১৯ সালের এপ্রিলের শেষ দিকে। নরওয়ের ইনগোইয়া এবং রোলভসিয়া দ্বীপের কাছে জেলে নৌকার পাশে হঠাৎ হঠাৎ সাদা রংয়ের কোন একটি প্রাণীর মাথা ভেসে উঠতে দেখা যায়।

দৃশ্যটি বিস্ময়ের সৃষ্টি করে কারণ সাদা রঙের বেলুগা তিমি দক্ষিণ আর্কটিক সাগরের এই অংশে দেখা যায়না। বিস্ময় আরো বাড়ে যখন দেখা যায় তিমিটির শরীরে শক্ত করে একটি বেল্টের মত বস্তু প্যাঁচানো। জেলেদের কাছে প্রথম মনে হয়েছিল তিমিটি যেন বিপদে পড়ে সাহায্য চাইছে।

জোয়ার হেস্টেন নামে এক জেলে ছবি তুলে সেটি অউডান রিকার্ডসেন নামে একজন সমুদ্র জীববিজ্ঞানীর কাছে পাঠান। ঐ বিজ্ঞানী তখন সাহায্যের জন্য নরওয়ের মৎস্য বিভাগের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি তদন্তের জন্য ইয়োর্গেন রি উইগ নামে একজন বিশেষজ্ঞকে পাঠানো হয়।

মানুষের সাহচর্য পছন্দ করে ভালদিমির

“আমি তিমিটিকে দেখলাম এবং আমার মনে হলো এটি সাধারণ কোনো তিমি নয়,“ বিবিসিকে বলেন মি. রি উইগ। “আমি জানতাম এটির সাথে অসামান্য কোনো কাহিনী জড়িয়ে আছে।“

পুতিনের নামে নাম
একজন জেলে সাহস করে নিরাপদ পোশাক পরে বরফ-শীতল পানিতে নেমে তিমিটির শরীর থেকে বেল্টের মত জিনিসটি খুলে আনেন। তখন দেখা গেল যে ঐ বেল্টের সাথে একটি ক্যামেরা লাগানো এবং সেই সাথে রয়েছে একটি ইলেকট্রনিক চিপ। চিপের ওপর লেখা ‘সেন্ট পিটার্সবুর্গের তৈরি যন্ত্র‘।

সাথে সাথে নরওয়ের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তাদের পক্ষ থেকে বিবিসিকে বলা হয়, “তিমিটিকে খুব সম্ভবত রাশিয়া তাদের গবেষণার কাজে লাগাচ্ছিল।“

রাশিয়া বহুদিন ধরেই সামরিক উদ্দেশ্যে ডলফিনের মত সাগরের স্তন্যপায়ী প্রাণী ব্যবহার করছে। ব্যারেন্টস অবজারভার নামে নরওয়ের একটি ওয়েবসাইটে রাশিয়ার মুরমানস্ক নামে একটি জায়গার কাছে তিনটি রুশ নৌ ঘাঁটির কাছে তিমি আটকে রাখার খাঁচার অস্তিত্বের প্রমাণ হাজির করা হয়েছিল

বেশ আগে ব্যারেন্টস অবজারভার নামে নরওয়ের একটি ওয়েবসাইটে রাশিয়ার মারমানস্ক নামে একটি জায়গার কাছে তিনটি রুশ নৌ ঘাঁটির কাছে তিমি আটকে রাখার খাঁচার অস্তিত্বের প্রমাণ হাজির করা হয়েছিল।কেন এসব খাঁচা, এগুলোর ভেতর তিমি কেন – এ নিয়ে রুশ সামরিক বাহিনী কখনই মুখ খোলেনি ।

রুশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ভিক্টর বারানেটস রয়টার্স সংবাদ সংস্থাকে বলেন, তিনি জানতে পেরেছেন যে রাশিয়ার উত্তরে বিজ্ঞানীরা “বেলুগা তিমি ব্যবহার করে বেসামরিক তথ্য সংগ্রহ করে, এর পেছনে সামরিক কোনো উদ্দেশ্য নেই।“

তিমিটির শরীরে রাশিয়ার তৈরি এই চিপটি বেল্টে দিয়ে লাগানো ছিল।

‘ভালদিমির‘ নামের সাদা তিমিটির উদ্ধারের ঘটনা নরওয়েতে দারুণ আগ্রহ তৈরি করেছিল। বিশেষ করে এটি গুপ্তচর হতে পারে এই ধারণা থেকে এটির একটি নামও দেওয়া হয়।

নরওয়েজিয়ান ভাষায় তিমিকে বলা হয় ভাল। তার সাথে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নামের অংশবিশেষ যোগ করে তিমিটির নাম দেয়া হয় – ভালদিমির।

উদ্ধারের কয়েকদিনের মধ্যে এটির আশ্রয়স্থল হয় হ্যামারফেস্ট নামে ছোটো একটি উপকূলীয় শহরের পোতাশ্রয় এলাকায়। প্রথম কয়েক সপ্তাহ তার খাওয়া নিয়ে খুব সমস্যা হয়েছে। নিজে শিকার করে থেকে পারছিলনা।

তখন ভালদিমিরকে বাঁচাতে নরওয়ের মৎস্য বিভাগ বিশেষ একটি কর্মসূচি নেয়। সিদ্ধান্ত হয় তিমিটির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখা হবে , তাকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।

স্পাই চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা
মার্কিন চলচ্চিত্রকার রেজিনা কসবি, যিনি বছরের কিছু সময় নরওয়েতে থাকেন – পুরো বিষয়টির মধ্যে চলচ্চিত্র তৈরির সম্ভাবনা দেখতে পেলেন। তিমিটিকে নিয়ে একটি শর্ট ফিল্ম তৈরির পরিকল্পনা নেন, কিন্তু এখনো সে কাজ বেশিদূর এগোয়নি।

“আমি প্রথমে যা মনে করেছিলাম আসল কাহিনী ঠিক তেমন নয়,“বিবিসিকে বলেন ঐ চলচ্চিত্রকার। “আমার ধারণা ছিল গল্পটি এমন হবে যে রুশ সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে একটি তিমি পালিয়ে এসেছে। ভেবেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে আমি ছবিটি বানিয়ে ফেলবো। কিন্তু এখন দেখছি তিমিটির জন্য কারো তেমন কোনো আগ্রহ নেই।“

এর পর থেকেই রেজিনা কসবি তিমিটির কল্যাণ এবং নিরাপত্তার জন্য প্রচারণা শুরু করেন।

বেলুগা তিমি বেশ সামাজিক একটি প্রাণী। মানুষ বা অন্য প্রাণীর কাছাকাছি ঘেঁষতে চায় তারা। ফলে, তাদের বিপদের ঝুঁকিও তাতে বাড়ে।

মিস কসবি মনে করেন, সে কারণে ভালদিমিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তার সাথে যোগ দেন তিমি সংরক্ষণে উৎসাহী বেশ কিছু লোক। তারা ওয়ান-হোয়েল নামে একটি সংগঠনও তৈরি করেছেন।

নৌকার প্রপেলার, মাছ ধরার জাল, এবং অতি উৎসাহী পর্যটক – এগুলো তিমির জন্য বড় ঝুঁকি। ফলে তারা ভালদিমিরের জন্য একটি অভয়াশ্রম তৈরির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। সম্ভব হলে সেটিকে গভীর সমুদে ছেড়ে আসার কথাও তারা বলছেন।

মিস কসবি এ নিয়ে প্রখ্যাত মার্কিন বিশেষজ্ঞ এবং প্রাণী অধিকার কর্মী রিক ও‘ ব্যারির কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন। রিক ও‘বেরি একসময় ডলফিন প্রশিক্ষক ছিলেন। তারপর গত কয়েক দশক ধরে তিনি জলজ প্রাণীকে আটকে রাখার বিপক্ষে আন্দোলন করছেন। জাপানের তাইজিতে ডলফিন হত্যা নিয়ে তৈরি ‘দি কোভ‘ নামে যে প্রামাণ্যচিত্রটি অস্কার পুরষ্কার পেয়েছে তাতে রিক ও‘বেরির কথা ও তার কাজ স্থান পেয়েছে।

“যখনই কোনো ডলফিন বা তিমি হুমকিতে পড়ে, আমার টেলিফোন বেজে ওঠে, “ বিবিসিকে বলেন মি ও‘ ব্যারি। জুলাই ২০০০ সালে রেজিনা কসবির একটি ফোন কল পেয়ে তিনি নরওয়ের উদ্দেশ্যে বিমানে চেপে বসেন। এসে দেখেন ভালদিমিরের দেহে বড় একটি জখম। সম্ভবত কোনো নৌকার ধাক্কায় সেটি হয়েছিল।জরুরী ভিত্তিতে কিছু করার দরকার বলে মি ও‘ ব্যারির মনে হয়েছিল।

ভালদিমিরের জন্য অভয়াশ্রম
“আমি ভাবলাম তিমিটিকে কোনো ফিয়োর্ডের ভেতর নিয়ে যাওয়া দরকার। “সমুদ্রের সাথে যুক্ত লম্বা এবং সরু জলাশয়কে ফিয়র্ড বলা হয়। নরওয়ের উপকূলে এরকম বহু ফিয়র্ড রয়েছে। মি. ও‘ ব্যারি ভাবলেন এরকম একটি ফিয়র্ডের মুখ বন্ধ করে ভালমিদিরের জন্য নিরাপদ একটি অভয়াশ্রম তৈরি করা সম্ভব।

কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ালো নরওয়ের সরকারকে রাজী করানো – যে দেশটির তিমি শিকারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

কয়েক মাস ধরে মিস কসবি এবং ‘ওয়ান-হোয়েল‘ গোষ্ঠীর সদস্যরা ভালদিমির এবং জখম হওয়া সামুদ্রিক প্রাণীদের জন্য একটি ফিয়র্ডে অভয়াশ্রম তৈরি নিয়ে নরওয়ের সরকারের সাথে দেন-দরবার চালিয়ে যাচ্ছে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, কমপক্ষে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এক কিলোমিটার প্রস্থের একটি ফিয়র্ডে এই আশ্রয়স্থল তৈরি করা সম্ভব। তেমন একটি ফিয়র্ডের মুখ লোহার জাল দিয়ে বন্ধ করা থাকবে। এবং সেখানে সর্বক্ষণ পাহারা থাকবে ।

ওয়ান-হোয়েল বলছে নরওয়ের উত্তরে দুটো এলাকা থেকে তাদের পরিকল্পনা নিয়ে ‘গভীর আগ্রহ‘ প্রকাশ করা হয়েছে। এরকম একটি অভয়াশ্রম তৈরি হলে পরিবেশের ওপর তার প্রভাব কী হতে পারে তা নিয়ে জন্য একটি সমীক্ষার জন্য তহবিল ছাড় করা হয়েছে।

“এখন আমরা বলতে পারি যে সবুজ সঙ্কেত পাওয়া গেছে,“ বলেন মিস কসবি।

তবে ফিয়র্ড ঘিরে ফেলে এমন অভয়াশ্রমের ধারণা সবাই পছন্দ করছেন না। যেমন, সামুদ্রিক প্রাণী বিশেষজ্ঞ মি. রিকার্ডসেন বলছেন তিমিটি এখন সুস্থ, এবং আশপাশের মাছের খামার থেকে খাবার শিকার করে খাচ্ছে। “

নরওয়েতে ঐ তিমিটির স্বাধীন বিচরণের ওপর কোনো বাধা নেই,” বলেন মি. রি উইগ যিনি উত্তর আটলান্টিক সাগরের স্তন্যপায়ী জীব বিষয়ক কমিশনের একজন পর্যবেক্ষক। “আমি মনে করি এখন যে অবস্থায় তিমিটি রয়েছে, সেটাই তার জন্য সবচেয়ে ভালো।“ মি. রি উইগের মতে, আবদ্ধ একটি ফিয়র্ডের মধ্যে একটি জীবকে আটকে রাখা “নরওয়ের রীতি নয়।“

তিমির জন্য একটি অভয়াশ্রম তৈরির জন্য নরওয়ের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুমোদন লাগবে। নরওয়ের মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে বিবিসিকে জানানো হয়েছে ওয়ার-হোয়েলের পরিকল্পনা নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা চলছে, তবে তারা বিশ্বাস করে প্রাণের ঝুঁকি না থাকলে ভালদিমিরকে “তার নিজের মত করে মুক্ত একটি প্রাণী হিসাবে থাকতে দেওয়া উচিৎ।“

তবে মি. ও ব্যারি মনে করেন যে স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে তাতে কার্যত ভালদিমিরকে একটি নি:সঙ্গ জীবন যাপন করতে হবে। তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার বালিতে তিনি ডলফিনের জন্য যে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছেন সেখানে আটকে রাখা এবং জখম ডলফিনদের এনে রাখা হয়। ঐসব প্রাণী খোলা সমুদ্রে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। অক্ষম মনে করা হলে, ঐ অভয়াশ্রমেই তাদের রেখে দেওয়া হয়।

এখন ভালদিমিরের বিশ্রাম এবং খাওয়ার জায়গা আশপাশে সাগরের ভেতর তৈরি মৎস্য খামারগুলোতে। তাদের খামারে ক্ষুধার্ত একটি তিমির বিচরণ খামার মালিকরা পছন্দ করছেন না।

মানুষের সাহচর্য এখন ভালদিমিরের খুব পছন্দ। তাদের কাছ থেকে খাবার পায় সে। কিন্তু সেটা তিমিটির জন্য বড় একটি ঝুঁকি। পর্যটকদের সাথে তার ছবি সোশাল মিডিয়াতে পোস্ট করা হচ্ছে যা নিয়ে তিমি সংরক্ষণ আন্দোলনকারীরা উদ্বিগ্ন।

ভালদিমিরের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য যারা লড়ছেন তারা মাঝেমধ্যেই তিমিটিকে দেখতে যান। মিস কসবি বিবিসিকে বলছিলেন একদিন তার নৌকাটি চলে আসার জন্য রওয়ানা হলে ভালদিমিরও পেছন পেছন অনেকটা দূর সাঁতরে আসে।
সূত্রঃবিবিসি নিউজ

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg